Bankura News: সেই বাম আমল এখনও… রাস্তা সারাই আর হল না, তৃণমূল যা যুক্তি দিল চমকে উঠবেন
রাস্তাটির এমন বেহাল দশার জন্য তৃণমূলকে দূষেছে সিপিএম-কএ। তাদের দাবি ওই রাস্তা পাকা করার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। টেন্ডারও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বালির অত্যধিক দামের কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। রাজ্যের মন্ত্রী তথা রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু অবশ্য রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

বাঁকুড়া: বাম আমলেই রাস্তার অবস্থা বেহাল হয়েছিল। তৃণমূল আমলের দেড় দশকে বারেবারে সেই রাস্তার হাল ফেরানোর আবেদন জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। অগত্যা এবার গ্রামের মানুষই হাত লাগালেন রাস্তা মেরামতির কাজে।
বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের অন্যতম ব্লক রানিবাঁধ। সেই ব্লকেরই খেড়িয়াশায় গ্রামে বসবাস কমবেশি ৭০ টি আদিবাসী পরিবারের। খেড়িয়াশায় গ্রাম থেকে রাজাকাটা শিব মন্দির পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তাই গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। তৃণমূল আমলের উন্নয়নের জোয়ারের একফোঁটা জলও পৌঁছয়নি খেড়িয়াশায় গ্রামের এই রাস্তায়।
ফলে গত দেড় দশকে ধীরে ধীরে রাস্তার হাল আরও খারাপ হয়েছে। বর্তমানে রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল যে ওই রাস্তা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য যানবাহন যাতায়াত তো দুরস্ত, সাধারণ মানুষ সাইকেল নিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও রাস্তা ছেড়ে আলপথে যাতায়াত করতে বাধ্য হতেন। রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা ফেরানোর দাবিতে বারেবারে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গ্রামের মানুষ।
কিন্তু গ্রামবাসীদের সেই কাতর আর্জি তৃণমূল আমলে পৌঁছয়নি জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারের কানে। হতাশ হয়ে বর্ষার মুখে এবার তাই নিজেরাই উদ্যোগ নিলেন রাস্তা সংস্কারে। নিজেদের উদ্যোগেই রাস্তায় বোল্ডার ও মাটি ফেলে কোনও রকমভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে নেমেছেন গ্রামের মানুষ। রাস্তাটির এমন বেহাল দশার জন্য তৃণমূলকে দূষেছে সিপিএম-কএ। তাদের দাবি ওই রাস্তা পাকা করার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। টেন্ডারও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বালির অত্যধিক দামের কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। রাজ্যের মন্ত্রী তথা রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু অবশ্য রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
