Smuggling: বীরভূমে এবার হাতির দাঁত পাচারের চেষ্টা, হাতেনাতে ধরল বনদফতর
Smuggling: ঘটনাটি বীরভূমের নলহাটির। ধৃতদের নাম রবি রঞ্জন সাহা, সুখেন্দর মুর্মু ও শঙ্কর রায়। তাঁদের একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের এবং দুজনের বাড়ি ঝাড়খন্ডের পাকুর এলাকায়। পাচার যে হবে সে খবর গোপন সূত্রে আগেভাগেই পেয়ে গিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। এরপর ঝাড়খন্ডের বুধবার বিকেলে বীরভূমের নলহাটিতে হানা দেন।

নলহাটি: গরুপাচারে বরাবরই নাম জড়ায় বীরভূমের। মাঝে-মধ্যেই এই জেলা থেকে গরু পাচার হতে কখনও আটকায় স্থানীয় বাসিন্দারা। কখনও বা হাতেনাতে তাদের রোখেন পুলিশ আধিকারিকরা। এবার আর গরু নয়। হাতির দাঁত পাচারের সময় তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করল বনদফতরের আধিকারিকরা। উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ কিলোগ্রাম ওজনের দুটি হাতির দাঁত।
ঘটনাটি বীরভূমের নলহাটির। ধৃতদের নাম রবি রঞ্জন সাহা, সুখেন্দর মুর্মু ও শঙ্কর রায়। তাঁদের একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের এবং দুজনের বাড়ি ঝাড়খন্ডের পাকুর এলাকায়। পাচার যে হবে সে খবর গোপন সূত্রে আগেভাগেই পেয়ে গিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। এরপর ঝাড়খন্ডের বুধবার বিকেলে বীরভূমের নলহাটিতে হানা দেন। সেখানে নলহাটির ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত একটি বেসরকারি হোটেলে হাতির দাঁত কেনা বেচা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।
সেই সময় অভিযান চালিয়ে তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করে বনদফতরের আধিকারিকরা। ধৃতদের কাছ থেকে ১৫ কেজি ওজনের দুটি হাতির দাঁত উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সীমান্তে পাচারের ঘটনা আকছাড় হয়। কখনও সোনা, কখনও রূপো, কখনও মাদক। তবে পাচারকারীদের সমস্ত ফন্দি বানচাল করে দেয় বিএসএফ আধিকারিকরা। কিন্তু এবার আর বিএসএফ নয়। হাতির দাঁত পাচার করা রুখে কার্যত প্রশংসা কুড়োলেন বন দফতরের আধিকারিকরা।
