Birbhum: কুয়াশায় দেখতে পাননি ট্রেন, দুটো পা চলে যায়, আর তা দেখেই শেষ পঁচিশ বছরের যুবক
Birbhum: বেলা এগারোটা নাগাদ নলহাটি দু'নম্বর ব্লকের স্যামলান্দি গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রংমিস্ত্রি অভিজিৎ লেট লোহাপুরের রেললাইনের কাছে ঘোরাফেরা করছিলেন। কাজে যাওয়ার আগে প্রত্যেকদিন সেখানেই থাকেন বলে সহকর্মীরা জানাচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, তখনই একটি মাল গাড়ি চলে আসে।

নলহাটি: কুয়াশায় ঢাকা সকাল। চারদিক অন্ধকার। ট্রেন যে আসছে, দেখতে পাননি যুবক। দূরের হর্নও হয়তো কানে আসেনি। যতক্ষণে বোঝেন, কাছেই চলে এসেছিল মাল গাড়ি। দৌড়ে সরতে পারেননি। কাটা পড়ে যায় দুটো পা। আর তা দেখামাত্রই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বছর পঁচিশের এক যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি থানার লোহাপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম অভিজিৎ লেট।
বেলা এগারোটা নাগাদ নলহাটি দু’নম্বর ব্লকের স্যামলান্দি গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রংমিস্ত্রি অভিজিৎ লেট লোহাপুরের রেললাইনের কাছে ঘোরাফেরা করছিলেন। কাজে যাওয়ার আগে প্রত্যেকদিন সেখানেই থাকেন বলে সহকর্মীরা জানাচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, তখনই একটি মাল গাড়ি চলে আসে। ঘন কুয়াশার কারণে সেই মালগাড়ি না দেখতে পাওয়ায় মালগাড়ির ধাক্কায় তাঁর দুটি পা কেটে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পেয়ে খবর দেন রেল পুলিশে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ।
ওই যুবককে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে রামপুরহাট সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। রামপুরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছিল। কিন্তু ঘটনার আকস্মিকতা নিতে পারেননি যুবক। হাসপাতালেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিজিতের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানাচ্ছেন, “সকালের দিকটা ভীষণ কুয়াশা ছিল। কয়েক হাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছিল না ভালোভাবে। প্রত্যেকদিন ওঁরা ওখানেই থাকেন। কাজে যাওয়ার আগে ওখানে সহকর্মীরা দেখা করেন। পরে সকলে নির্দিষ্ট জায়গায় চলে যান হয়তো। এদিন ট্রেনের হর্ন শুনতে পাননি, দেখতেও পাননি। আমরা যতক্ষণে দেখে চেঁচাই, তার মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়।”
