Birbhum: ক্লাস ইলেভেনে পড়া মেয়েটাও যে এই কাজ করতে পারে ভাবতেই পারছে না পরিবার, খবর শুনে আকাশ থেকে পড়ল দাদা
Birbhum: এদিন নিজের ঘরেই বছর সতেরোর ওই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল সুইসাইড নোট। খবর যায় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। একইসঙ্গে মৃত কিশোরীর মোবাইল ও সুইসাইড নোট উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

রামপুরহাট: প্রেম করছে বাড়ির মেয়ে। জানতো পরিবাররে সদস্যরাও। সমস্যাও হয়নি। এরইমধ্য়ে ঘর থেকে উদ্ধার হল একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। পাশে উদ্ধার সুইসাইড নোট। কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। কোনও সমস্যা না থাকলেও কেন ওই নাবালিকা ওই কাজ করল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মৃতার নাম সোনালী মণ্ডল। একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বাড়ি বীরভূমের রামপুরহাট থানার রামরামপুর গ্রামে।
এদিন নিজের ঘরেই বছর সতেরোর ওই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল সুইসাইড নোট। খবর যায় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। একইসঙ্গে মৃত কিশোরীর মোবাইল ও সুইসাইড নোট উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর তা ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কী কারণে এই আত্মহত্যা তা তদন্ত করে দেখছে রামপুরহাট থানার পুলিশ। শোকের ছায়া পরিবারে।
মৃতার দাদা জিৎ মণ্ডল বলছেন, “হাসপাতালে নিয়েছিলাম। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। ডাক্তাররা বলে ও আর নেই। একটা সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। তাতে লেখা আছে একটা ছেলের নাম। ওকেই ভালবাসতো। আমরা জানতাম ওর কথা। আমাদের সঙ্গে কোনও ঝামেলা হয়নি। আমরা ভাবতেই পারছি না ও এরকম কিছু করতে পারে। কিন্তু, গলায় ফাঁস লাগিয়ে, হাত কেটে ও আত্মহত্যা করেছে। থানা থেকে লোক এসেছিল। ওরা বোনের ফোন, চিঠিপত্র সব নিয়ে গিয়েছে। আমরা সরকারের কাছে সুবিচার চাইছি। তদন্ত হোক।”
