Bolpur: প্রান্তিক স্টেশনের কাছে তৃণমূল নেতার দখলে থাকা হোটেল থেকে উদ্ধার তাজা-তাজা বোমা
পুলিশ আধিকারিক বলেন, "আমরা অভিযান চালাই। দেখি বোমা মজুত রয়েছে। গোটা জায়গা কর্ডন করা হয়েছে। এই বোমাগুলি পরে নিষ্ক্রিয় করা হবে। ইতিমধ্যেই মামলা রুজু হয়েছে। একজন আইও (ইনভেস্টিগেটিং অফিসার) থাকবেন। তাঁর উপস্থিতিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত চলবে। কে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, আরও কারা কারা রয়েছেন সবটাই দেখা হবে।"

বোলপুর: বোলপুরে তৃণমূল নেতার দখলে থাকা হোটেল থেকে উদ্ধার বোমার পাহাড়। তৃণমূল নেতা ও এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্বামী বাবু দাসের দখলে থাকা হোটেলে রাতভর অভিযান চালালেন দুই থানার ওসি। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে অভিযুক্ত বাবুর খোঁজ এখনও অবধি মেলেনি। যদিও, এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
জানা যাচ্ছে, বাবু দাসের এই হোটেলটি রয়েছে বোলপুরের প্রান্তিক স্টেশনের কাছে। অভিযোগ, সেই হোটেলেই বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। খবর পেয়ে এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। আটক করা হয় সাতজনকে। তবে শুধু বোমা নয়, এর আগে এই হোটেলে মধুচক্র চালানোর অভিযোগও উঠেছিল। এমনকী,এই বাবু দাসের বিরুদ্ধে মারামারির অভিযোগও রয়েছে।
পুলিশ আধিকারিক বলেন, “আমরা অভিযান চালাই। দেখি বোমা মজুত রয়েছে। গোটা জায়গা কর্ডন করা হয়েছে। এই বোমাগুলি পরে নিষ্ক্রিয় করা হবে। ইতিমধ্যেই মামলা রুজু হয়েছে। একজন আইও (ইনভেস্টিগেটিং অফিসার) থাকবেন। তাঁর উপস্থিতিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত চলবে। কে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, আরও কারা কারা রয়েছেন সবটাই দেখা হবে।”
বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ওই দখল করা হোটেলটিতে পার্টি অফিস চালাত বলেই জানতাম। এবং প্রান্তিক এলাকায় ওই ভদ্রলোকদের ত্রাসে এলাকার পর্যটক থেকে সাধারণ বাসিন্দা ত্রস্ত হয়ে থাকে। সব সময় তোলাবাজি দখল করা এই সব করে। আজ পুলিশ সাহস দেখিয়েছে। আমার মনে হয় পুলিশ হয়ত জানতে না তাই এই ঘটনা।”
