HS Student: সামনেই উচ্চমাধ্যমিক! তার আগে জঙ্গলের মধ্যে মেয়ের এই অবস্থা দেখে হতবাক পরিবার, পাশেই দেখা মিলল প্রেমিকের
HS Student: শুক্রবার রাত থেকে খোঁজ মিলছিল না দু’জনের। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁদের কোথাও পায়নি। অবশেষে এদিন সকালে বক্রেশ্বর নদীর ধারে জ্যোতির মাঠের জঙ্গলে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।

বক্রেশ্বর: সামনেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু, তার আগেই বাড়ির মেয়ের এই পরিণতি হবে ভাবতেই পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। পাশেই দেখা মিলল প্রেমিকের। দুবরাজপুরের বক্রেশ্বরের জ্যোতির মাঠ লাগোয়া জঙ্গলে ঢুকতেই চোখ কপালে উঠে গেল এলাকার বাসিন্দাদের। দেখা গেল গাছ থেকে ঝুলছে দু’জনের দেহ। একজনের নাম সুপ্রিয়া বাগদি, অন্যজন গোপাল বাগদি। পরিবারের সদস্যদের ধারনা, আত্মহত্যা করেছে দু’জনেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকায়।
সূত্রের খবর, সুপ্রিয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। অন্যদিকে গোপাল ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাছ করত। কিছুদিন আগে বক্রেশ্বরে এসে দিনমজুরের কাজ শুরু করে। তাঁদের বাড়িও একই এলাকায়, একদম পাশাপাশি। এলাকার লোকজনের পাশাপাশি তাঁদের সম্পর্কের কথা জানত পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু, তা নিয়ে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে কোনও ঝামেলাও হয়নি কোনওদিন। এমনকী সাম্প্রতিক অতীতেও কোনও সমস্যা হয়েছে বলে মনে করতে পারছেন না কেউই। কোনওদিনই কোনও ঝামেলা হয়নি বলে জানাচ্ছেন মৃত যুবকের বাবা আনন্দ বাগদী।
সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত থেকে খোঁজ মিলছিল না দু’জনের। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁদের কোথাও পায়নি। অবশেষে এদিন সকালে বক্রেশ্বর নদীর ধারে জ্যোতির মাঠের জঙ্গলে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু, কী কারণে আত্মহত্যা বুঝে উঠতে পারছেন না কেউই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দুবরাজপুর থানা ও বক্রেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ। ইতিমধ্যেই দেহ দু’টি উদ্ধার করে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই হবে ময়নাতদন্ত।
