Padma Shri: নেশাকে করেছেন পেশা, নকশি কাঁথায় তাক লাগিয়ে পদ্মশ্রী সিউড়ির তৃপ্তি

Padma Shri awardee Tripti Mukherjee: এর আগেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। ২০১২ সালে জাতীয় পুরস্কার পান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত থেকে। ২০১৭ সালে বঙ্গশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। আবার ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক থেকে হস্তশিল্পে 'শিল্পগুরু' সম্মান পান তিনি। তাঁর সাফল্যের মুকুটে এবার যোগ হল পদ্মশ্রী সম্মান।

Padma Shri: নেশাকে করেছেন পেশা, নকশি কাঁথায় তাক লাগিয়ে পদ্মশ্রী সিউড়ির তৃপ্তি
কী বলছেন তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 25, 2026 | 9:33 PM

সিউড়ি: ছোটবেলায় যা ছিল নেশা, বড় হয়ে তাঁকেই পেশা হিসেবে বেছেছেন। শুধু নিজে নয়, বীরভূমের ২০ হাজারের বেশি মহিলাকে স্বনির্ভর করতে হাতে কলমে কাঁথা স্টিচের কাজ শিখিয়েছেন। এবার তাঁর স্বীকৃতি পেলেন বীরভূমের সিউড়ির হস্তশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। এবছর পদ্মশ্রী সম্মান প্রাপক হিসেবে তাঁরও নাম ঘোষিত হয়েছে। আর এই খবর তাঁর কাছে পৌঁছনোর পর থেকে মুখে ‘তৃপ্তি’-র হাসি। এই পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য নিজের মাকে কৃতিত্ব দিলেন তিনি। কারণ, মায়ের হাত ধরেই নকশি কাঁথা শিখেছেন।

এদিন পদ্মশ্রী সম্মান প্রাপকের তালিকায় তাঁর নাম থাকার পর টিভি৯ বাংলাকে তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় বলেন, “মায়ের কাছ থেকে প্রথমে এটা শিখেছি। ফলে এই পুরস্কারের কৃতিত্ব আমার মায়ের। বীরভূমের প্রায় সব গ্রামে গিয়ে মহিলাদের শিখিয়েছি। প্রায় ২০ হাজারের বেশি মহিলাকে শিখিয়েছি। তাঁরা স্বনির্ভর হয়েছেন। ফলে তাঁরাও এই কাজ শিখতে আগ্রহী ছিলেন।” এই সম্মানে তিনি যে কতটা আনন্দিত, তা বোঝাতে গিয়ে এক গাল হেসে বললেন, “এই সম্মান পেয়ে খুব ভাল লাগছে।”

তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় নকশি কাঁথায় ফুটিয়ে তোলেন গ্রামের জীবন। গ্রামের মেয়েরা কী স্বপ্ন দেখছে, সেইসব কাজও ফুটিয়ে তোলেন। এর আগেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ২০১২ সালে জাতীয় পুরস্কার পান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত থেকে। ২০১৭ সালে বঙ্গশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। আবার ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক থেকে হস্তশিল্পে ‘শিল্পগুরু’ সম্মান পান তিনি। তাঁর সাফল্যের মুকুটে এবার যোগ হল পদ্মশ্রী সম্মান।

পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়কে এদিন অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সিউড়ির গুণীজনদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।