Coochbehar News: তৃণমূল যেতেই কাটমানির টাকা ঢুকে গেল ১২৭ উপভোক্তার কাছে
Coochbehar: অভিযোগ অস্বীকার করে পঞ্চায়েত সদস্য সিরাজুল হক জানান, "দলের নির্দেশে সাংগঠনিক খরচের জন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়ায় সেই অর্থ উপভোক্তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।" তিনি এও জানান, প্রায় ৮ লক্ষ টাকা ফেরতের এই ঘটনাকে ঘিরে শীতলকুচির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

কোচবিহার: তৃণমূল (TMC) আমলে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আবাস যোজনায় কাটমানি নিয়েছিল বলে অভিযোগ। এবার সরকার বদলেছে। আর তারপরই উপভোক্তারা ফিরে পেলেন টাকা। রবিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের রথেরডাঙা ২৪১ নম্বর বুথে ১২৭ জন উপভোক্তার হাতে মোট প্রায় ৮ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
জানা যাচ্ছে, এই টাকা ফেরত দেন প্রাক্তন এক পঞ্চায়েত সদস্য-সহ কয়েকজন তৃণমূল নেতা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। টাকা ফিরে পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও বিক্ষোভ চালানোর ফলেই তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কেন এতদিন পরে এই টাকা ফেরত দেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
বিজেপির স্থানীয় নেতা দেবাশীস বর্মণের অভিযোগ, এতদিন ধরে তাঁরা এই অভিযোগ করছিলেন যে কেন্দ্রের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। কাটামানি নিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। আর এবার যখন উপভোক্তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনা ঘটছে, তার মানে এটাই স্পষ্ট যে, তাঁদের অভিযোগ ভুল নয়।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে পঞ্চায়েত সদস্য সিরাজুল হক জানান, “দলের নির্দেশে সাংগঠনিক খরচের জন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়ায় সেই অর্থ উপভোক্তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।” অভিযুক্তের মেয়ে বলেন, “আমার বাবা এখন আর তৃণমূল করে না। নিজের কাজ করে খায়। উনি খেটে খান। কয়েকদিন থেকে লোকজন আসছে। আর বলছে আমার বাবা নাকি ২০ হাজার টাকা নিয়েছে, দশ হাজার টাকা নিয়েছে এইসব। আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে।”
