AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP: চৌকির ওপর রাখা থরে থরে টাকা, গুনেই চলেছেন বিজেপি নেতা! ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে শোরগোল

Coochbehar BJP: তোলাবাজি, কাটমানি- একাধিক ইস্যুতে বিদ্ধ হয়েছিল পূর্বতন সরকার। দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিজেপির একাধিক বিজেপি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নাম করেও তোলাবাজির করার অভিযোগ উঠেছে।

BJP: চৌকির ওপর রাখা থরে থরে টাকা, গুনেই চলেছেন বিজেপি নেতা! ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে শোরগোল
ভাইরাল ভিডিয়ো Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 10, 2026 | 5:56 PM
Share

কোচবিহার: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির হাতে টাকার বান্ডিল। রীতিমতো টানা গুনছেন তিনি। ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিয়ো। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিজেপি অন্দরে কোন্দল। অভিযুক্তের নাম মনোরঞ্জন বর্মন। তিনি নাটাবাড়ির মণ্ডল সভাপতি। অভিযুক্তকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে পথে নেমেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, মনোরঞ্জন বর্মনের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি একাধিক লোকের বাড়িতে গিয়ে তোলা তুলেছেন, হুমকি দিয়েছেন। এমনকি পুকুর পাড়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে পুকুর দখলের অভিযোগ উঠেছে। কাটমানি থেকে চাকরি দেওয়ার নামেও টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে মনোরঞ্জন টাকার বান্ডিল গুনছেন। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই মুখ খুলেছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল শিবির। তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা তো আগে থেকেই বলছি আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দল। কোচবিহারে ধরা পড়েছে। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে খোঁজ নিন, সব জায়গায় টাকা তোলা হচ্ছে।”

তোলাবাজি, কাটমানি- একাধিক ইস্যুতে বিদ্ধ হয়েছিল পূর্বতন সরকার। দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিজেপির একাধিক বিজেপি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নাম করেও তোলাবাজির করার অভিযোগ উঠেছে। তাতে শমীক একেবারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছেন। এমনকি বিজেপির একেবারে জেলাস্তরেও খোলনোলচে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর পদক্ষেপ করতে যে দল পিছপা হবে না, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। একটি সভায় তিনি বলেন, “আমি যদি বলি, সমস্ত জায়গায় দুর্নীতি, তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, সেটা ভুল বলছি। ক্রটি বিচ্যুতি রয়েছে। একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মানুষ দীর্ঘদিন চলেছে, একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার বদলে সে সব বদলে গিয়েছে এমনটা নয়। আমরা চেষ্টা করছি দলের পক্ষ থেকে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার।”

Follow Us