Balurghat: একই এপিক নম্বরে তিন জনের নাম! বালুরঘাটে তুঙ্গে চর্চা
Balurghat: পাশাপাশি পতিরামেও একই ঘটনা সামনে এসেছে। একই এপিক নম্বরে তিনজন ভোটারের নাম উঠে এসেছে। একজন ভোটারের বাড়ি পতিরাম। আরেকজনের তপন এবং বাকি একজনের গুজরাটে।

বালুরঘাট: একই এপিক নম্বরে রয়েছে তিনজনের নাম। এবার বালুরঘাটে মিলল এমন ভুয়ো ভোটারের হদিশ। মঙ্গলবার বালুরঘাট শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভোটার কার্ড স্কুটনিতে বেরিয়ে এই বিষয় সামনে এসেছে৷ এদিন বালুরঘাট পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নীতা নন্দী-সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্বরা ভোটার কার্ড স্কুটনিতে বের হন। সেই সময় বিষয়টি নজরে আসে। একজন গুজরাটের ভোটার হলেও বাকি দুজন ভোটার বালুঘাটের। এমন ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়েছে শহর জুড়ে।
পাশাপাশি পতিরামেও একই ঘটনা সামনে এসেছে। একই এপিক নম্বরে তিনজন ভোটারের নাম উঠে এসেছে। একজন ভোটারের বাড়ি পতিরাম। আরেকজনের তপন এবং বাকি একজনের গুজরাটে। এতদিন পর্যন্ত একই এপিক কার্ডে দুজন দুই রাজ্যে ধরা পড়েছিল। এই প্রথম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় একই এপিক কার্ডে দুজন জন ও গুজরাটের একজন করে ধরা পড়ল।
জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মহামায়া সরকারের এপিক নম্বরের সঙ্গেই মিলেছে, মহামায়া মোস্তাফি সরকার। তিনিও বালুরঘাটের বাসিন্দা তবে তার এখনো খোঁজ মেলেনি। একই এপিক নম্বরে গুজরাটের সুনিতা থাইয়ার নামও রয়েছে। অন্যদিকে, বালুরঘাটের চার নম্বর ওয়ার্ডের স্বপ্না চক্রবর্তীর এপিক নম্বরের সঙ্গেই গুজরাটের কেটি ডেভিসের নাম উল্লেখ রয়েছে। ওই ওয়ার্ডের গৌরী সরকারের এপিক নম্বরেই গুজরাতের আমির নামে একজনকে পাওয়া গিয়েছে। ওই ওয়ার্ডের পাপিয়া সরকারের নামে গুজরাতের মহেশজি ঠাকুরের নাম মিলেছে।
ওই তথ্য মিলতেই এদিন সকালে বাড়ি বাড়ি যান ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নীতা নন্দী। বিষয়গুলি নিয়ে সাধারণ মানুষকে অবগত করেন। এনিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা তিনি জানিয়েছেন।
একইর রকম ভাবে গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা তথা কুশমণ্ডি বিধানসভার গোবিন্দ হালদারের এপিক নম্বরের সঙ্গে গুজরাট ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন বিধানসভার দুজনের নাম রয়েছে। ওই দুজনের নাম কমল রজনি। এনিয়ে সরব হয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পৃথক রাজ্যে একই এপিক নম্বরের দুটো ভোটার কার্ড থাকতেই পারে।

