South Dinajpur: বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, পরনারীতে আসক্ত স্বামী, জানাজানি হতেই…
Husband allegedly killed wife: বছর দেড়েক আগে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার অন্তর্গত হালিমপুরের বাসিন্দা আফসানা ও কুশমণ্ডির উত্তর উদয়পুরের আজাহরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়েছিলেন আফসানার বাপের বাড়ির লোকজন। বিয়ের পর পর কিছুদিন সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। অভিযোগ, কিছু দিন যেতেই শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার।

কুশমণ্ডি: স্বামীর রয়েছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। তার প্রতিবাদ করায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার নাম আফসানা খাতুন(২১)। বাড়ির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি ব্লকের উদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর উদয়পুরে। মৃতা ওই মহিলা ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মঙ্গলবার মৃতার বাপের বাড়ির তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেতেই অভিযুক্ত স্বামী আজাহরুল হক ও শাশুড়ি নারগিস বেগমকে গ্রেফতার করে কুশমণ্ডি থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতদের গঙ্গারামপুর আদালতে তোলা হবে। এদিকে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাটে পাঠিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দেড়েক আগে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার অন্তর্গত হালিমপুরের বাসিন্দা আফসানা ও কুশমণ্ডির উত্তর উদয়পুরের আজাহরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়েছিলেন আফসানার বাপের বাড়ির লোকজন। বিয়ের পর পর কিছুদিন সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। অভিযোগ, কিছু দিন যেতেই শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। এমনকি শ্বশুরবাড়ি থেকে আরও টাকা আনার জন্য দেওয়া হত চাপ। এরইমধ্যে স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন স্ত্রী। যার জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়।
সোমবার বিকেলে আফসানা খাতুনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে কুশমণ্ডি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতার বাবা মকবুল শেখ বলেন, “আমার জামাইয়ের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। এক মহিলাকে নিয়ে পালিয়েও গিয়েছিল। ওরা আমার মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করেছে। ওদের কঠোর শাস্তি চাই।” অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ মৃতার স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভতোষ সরকার বলেন, “একটা অভিযোগ হয়েছে। আমরা সবটা খতিয়ে দেখছি।”
