Kumarganj murder news: দাঁ দিয়ে স্বামীর গলার নলি কেটে ‘খুন’, স্ত্রীর বর্ণনা শুনে স্তম্ভিত পুলিশ
South Dinajpur murder case: গতকাল ওই এলাকায় হরিবাসর চলছিল। সেই হরিবাসরে স্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুজিত দাস। এদিকে রাত সাড়ে নয়টার পর স্বামী স্ত্রী বাড়ি চলে আসে। সেই সময় বাড়িতে বয়স্ক বাবা মা ছিল। বাড়িতেই সুজিতের নলি কেটে দেয় তাঁর স্ত্রী। রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে করতে বাইরে ছুটে আসে।

কুমারগঞ্জ: স্বামীর নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের সাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিয়ালপাড়ায়। মৃতের নাম সুজিত দাস(৩০)। পেশায় রাজমিস্ত্রি৷ আগে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করলেও মাস আট নয় আগে বাড়ি এসে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন তিনি। বাড়িতে স্ত্রী ও ১০ বছরের সন্তান রয়েছে। এদিকে খুনের অভিযোগে গতকাল মধ্য রাতে স্ত্রী কৃষ্ণা দাসকে(২৭) গ্রেফতার করেছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ৷
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলা খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত একটি দাঁ উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ সোমবার কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের পাঠানোর পাশাপাশি ধৃত মহিলাকে বালুরঘাট জেলা আদালতে তুলবে। এদিকে মৃতের হাত বাঁধা থাকার ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধুমাত্র স্ত্রী না এই খুনের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, গতকাল ওই এলাকায় হরিবাসর চলছিল। সেই হরিবাসরে স্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুজিত দাস। এদিকে রাত সাড়ে নয়টার পর স্বামী স্ত্রী বাড়ি চলে আসে। সেই সময় বাড়িতে বয়স্ক বাবা মা ছিল। বাড়িতেই সুজিতের নলি কেটে দেয় তাঁর স্ত্রী। রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে করতে বাইরে ছুটে আসে। তবে বেশি দূর যেতে পারেনি সে। রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়ে। এদিকে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। সঙ্গে সঙ্গে টোটো করে কুমারগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনায় পরিবারের তরফে থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘটনার সময় ঘরে স্বামী স্ত্রী শুধু ছিল। তাই স্ত্রীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ করে পরিবার। এরপরই রাতেই পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। প্রথমে অস্বীকার পরে খুনের কথা স্বীকার করে নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে৷ তবে এর পেছনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলেই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের৷ পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ।
