Siliguri: স্পেশালিস্ট চিকিৎসকরা পাচ্ছেন না নিয়োগ? বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে
অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টর্সের তরফে উৎপল বন্দোপাধ্যায় বলেন, "স্পেশালিস্ট চিকিৎসকেরা পাশ করে বসে আছেন। গোটা রাজ্যে প্রায় ১২০০ স্পেশালিস্ট গত তিন মাস ধরে নিয়োগ না পেয়ে বসে। এদের চিকিৎসা থেকে রাজ্যের বাসিন্দারা বঞ্চিত। এরাও সরকারি নিয়মের জালে ঠায় অপেক্ষায় বসে কবে নিয়োগ হবে। কেউ কেউ কাজ ভুলে যাওয়ায় আশংকায় বিভিন্ন মেডিকেলে বেগার খাটছেন এটাই বাস্তব চিত্র।"

শিলিগুড়ি: রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে এমএ (MA) পাশ করার পরও স্পেশালিস্ট চিকিৎসকদের নিয়োগ আটকে আছে। যার জেরে একদিকে এই চিকিৎসকরা যেমন বেতন পাচ্ছেন না, তেমনি তাঁদের কাছ থেকে প্রাপ্য স্পেশালিস্ট চিকিৎসকের পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রাজ্যের মানুষ। কাজ ভুলে যেতে পারেন, এই আশঙ্কায় নিয়োগের আশা নিয়ে বিভিন্ন মেডিকেলে কার্যত বেগার খাটছেন স্পেশালিস্ট চিকিৎসকরা।
সরকারের ঠিক করা নিয়মেই স্পেশালিস্ট চিকিৎসকরা পিজিটি পাশ করার পর তাঁদের তিন বছর সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা দিতে হয়। ২০২২ সালে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে পিজিটিতে ভর্তি হওয়া চিকিৎসকরা স্পেশালাইজেশনের পর পাশ করেছেন। কিন্তু গত তিন মাস ধরে তাঁদের নিয়োগ আটকে আছে।
উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে ৯২ জন স্পেশালিস্ট চিকিৎসক রয়েছেন। যাঁরা ২০২২ সালে স্পেশালাইজেশন ভর্তি হয়েছিলেন। ২০২৫ সালে পাশ করার পর গত তিন মাস ধরে তাঁদের নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ।২০২২ পাশ আউট নিয়োগ না পাওয়া স্পেশালিস্ট চিকিৎসক কৌস্তভ চক্রবর্তী বলেন, ” ”
২০২১ এ যারা স্পেশালাইজেশন করেছেন তাঁরা অবশ্য আগামী তিন বছরের জন্যে নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ২০২২ ব্যাচের পাশ করা স্পেশালিস্টদের নিয়োগ আটকে থাকায় তাঁদের কাজের চাপ বাড়ছে। ২০২১ পাশ আউট নিয়োগ পাওয়া স্পেশালিস্ট চিকিৎসক রঞ্জিত কুমার সিং বলেন, “সমস্যা হচ্ছে আমাদের নিয়োগ হচ্ছে না। আমরা দু থেকে আড়াই মাসের কোনও পোস্টিং নেই। কাজ যাতে না ভুলে যাই তাই ওটিতে যাচ্ছি।”
অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টর্সের তরফে উৎপল বন্দোপাধ্যায় বলেন, “স্পেশালিস্ট চিকিৎসকেরা পাশ করে বসে আছেন। গোটা রাজ্যে প্রায় ১২০০ স্পেশালিস্ট গত তিন মাস ধরে নিয়োগ না পেয়ে বসে। এদের চিকিৎসা থেকে রাজ্যের বাসিন্দারা বঞ্চিত। এরাও সরকারি নিয়মের জালে ঠায় অপেক্ষায় বসে কবে নিয়োগ হবে। কেউ কেউ কাজ ভুলে যাওয়ায় আশংকায় বিভিন্ন মেডিকেলে বেগার খাটছেন এটাই বাস্তব চিত্র।”
