
শিলিগুড়ি: কোথাও রেস্তোরাঁয়, কোথাও আবার রেস্তোরাঁর কিচেনে মাংসে কিলবিল করছে পোকা, কোথাও মিষ্টির দোকানে ফ্রিজে রাখা পচা মাংস। শিলিগুড়ির অলিগলিতে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে গত কয়েকদিনে চক্ষু চড়কগাছ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের। সীমিত পরিকাঠামোয় নজরদারির অভাবেই এই পরিস্থিতি। অজান্তেই এসব খাওয়ায় মানুষ কিনে খাচ্ছেন অভিযোগ তুলে আজ জেলা স্বাস্থ্য দফতরে গিয়ে স্মারকলিপি দেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও স্বীকার করে নেন অধিকাংশ দোকান রেস্তোরাঁ খাদ্য সুরক্ষায় ন্যূনতম নিয়মবিধি মানছে না।
গত সাত দিনে শিলিগুড়িতে একাধিকবার বিভিন্ন দোকানে,রেস্তোরাঁয়,মিষ্টির দোকানে অভিযান চালায় জেলা স্বাস্থ্য দফতর। ফুড সেফটি আধিকারিকরা অভিযানে গিয়ে দেখেন নামী রেস্তোরাঁর কিচেনে মাংসে কিলবিল করছে পোকা। অস্বাস্থ্য়কর পরিবেশে কিচেনে তৈরি হচ্ছে খাওয়ার। মিষ্টির দোকানে গিয়ে দেখা যায় ফ্রিজে ডাই করে রাখা মাংস। হতবাক হয়ে যান তাঁরাও। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত দোকান মালিকদের এ নিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
আজ জেলা স্বাস্থ্য দফতরে যান বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, “সীমিত সংখ্যক আধিকারিক বনাম অসংখ্য দোকান। ট্রেড লাইসেন্স এবং ফুড সেফটি লাইসেন্সের তোয়াক্কা না করেই শহর জুড়ে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য খাবারের দোকান। সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার নিজেদের অজান্তেই আমাদের খেতে হচ্ছে। এসব বন্ধু না হলে প্রয়োজনে আমরাই এরপর রাস্তায় নেমে দোকানগুলোর লাইসেন্স আছে কি না চেক করব?”
অন্যদিকে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এক ফুট আধিকারিক জানান, “আমরা প্রত্যেককে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম। কিন্তু অভিযানে গিয়ে দেখছি কোথাও মাংসে পোকা কোথাও আবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে দোকান রেস্তোরাঁ নিয়ম নীতি মানছে না। অভিযান চলবে।”