Biriyani in Bengal: বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক রেস্তোরাঁ, কলকাতাতে আর পাওয়া যাবে না বিরিয়ানি?

Commercial Gas Crisis: ব্য়বসায়ীরা বলছেন ইতিমধ্যেই সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বিভিন্ন গ্যাস প্রদানকারী সংস্থা। এর জেরে শিলিগুড়ির বহু হোটেল রেস্তোরায় হাহাকার শুরু হয়েছে। গ্যাসের অভাবে একাধিক রেস্তোরাঁ এবং হোটেলের কিচেনের ঝাঁপ বন্ধ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

Biriyani in Bengal: বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক রেস্তোরাঁ, কলকাতাতে আর পাওয়া যাবে না বিরিয়ানি?
প্রতীকী ছবি Image Credit source: Gemini

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 10, 2026 | 2:31 PM

কলকাতা ও শিলিগুড়ি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সরাসরি ছাপ এবার ভারতের সাধারণ নাগরিকদের উপর। এক ধাক্কায় রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে গিয়েছে ৬০ টাকা। অন্যদিকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়ে গিয়েছে ১১৫ টাকা। দেশের অন্যান্য বড় বড় শহরের মতোই ছাপ পড়ছে কলকাতা, শিলিগুড়িতেও। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একাধিক রেস্তরাঁ, কিচেন। কমার্শিয়াল গ্যাস সঙ্কটে জেরবার ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই ভারতের হোটেল ও রেস্তোরাঁ ফেডারেশনের তরফে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠিও লেখা হয়েছে। 

ব্য়বসায়ীরা বলছেন ইতিমধ্যেই সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বিভিন্ন গ্যাস প্রদানকারী সংস্থা। এর জেরে শিলিগুড়ির বহু হোটেল রেস্তোরায় হাহাকার শুরু হয়েছে। গ্যাসের অভাবে একাধিক রেস্তোরাঁ এবং হোটেলের কিচেনের ঝাঁপ বন্ধ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। 

গ্যাস বিক্রেতাদের তরফে কৌশিক সরকার বলছেন, কেন্দ্রের নির্দেশিকার জেরেই আমরা কমার্শিয়াল গ্যাস কাউকে দিচ্ছি না। হাহাকার শুরু হয়েছে। বহু হোটেল রেস্তোরাঁ ফোন করছে। কিন্তু আমরা নিরুপায়। আমাদের তো কিছু করার নেই। 

অন্যদিকে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন শিলিগুড়ির এক হোটেলের মালিক নির্মল সাহা। তিনি বলছেন, “যেটুকু স্টক আছে তাতে মেরেকেটে আর দু’দিন হোটেলের কিচেন চলবে৷ এরপর বন্ধ করে দেব। যা পরিস্থিতি তাতে এ ছাড়া তো পথ নেই।” হোটেল মালিক সংগঠনের তরফে উজ্জ্বল ঘোষও রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, “বহু রুজিরুটি বন্ধের পথে। আমরা জুরুরি  বৈঠকে বসছি।” 

কলকাতাতেও বাণিজ্যিক গ্যাসের সঙ্কটের জেরে সমস্যায় শহরের নামকরা বিরিয়ানি চেইন। গ্যাস না মেলায় কাঠের উনুনে বিরিয়ানি তৈরির ভাবনা সংস্থার। সেক্ষেত্রে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ছাড়পত্রের প্রয়োজন। পরিস্থিতি সামলাতে কয়েকটি ব্রাঞ্চ বন্ধ করার কথা ভাবছেন তারা। আজ বৈঠকে বসছে সংস্থাটি। প্রত্যেকদিন যেখানে ৭০টি বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয় সেখানে এদিন সাপ্লাই হয়েছে মাত্র ১০টি। ফলে উদ্বেগ চরমে। 

Follow Us