
শিলিগুড়ি: ভোটের বাকি আর তিন সপ্তাহেরও কম। প্রচারে ঝড় তুলছে শাসক বিরোধী সব পক্ষই। হাওয়া গরম উত্তরেও। শিলিগুড়ি শহরকে মাঝখান দিয়ে চিরে বয়ে যাচ্ছে মহানন্দা। নদীর ওপারে রয়েছে ৬টি ওয়ার্ড। ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস সেখানে। বুথের সংখ্যা ৬৫। এখানেই চিন্তা বাড়ছে তৃণমূল কংগ্রেসের। শেষ লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে সেখান থেকে মেলা পদ্মের ভোট কিন্তু রীতিমতো চিন্তায় রেখেছে শাসক শিবিরকে। ফলে ভোট প্রচারে এবার ওয়ার্ডে রাত্রিযাপন, ভোটারের বাড়িতে পাত পেড়ে খাওয়াদাওয়া সবই চলছে পুরোদমে। সোজা কথায় ভোটারের মন পেতে মরিয়া তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। আগামী ৮ এপ্রিল ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাত্রিযাপন করবেন তিনি।
মেয়র হিসেবে আগে বেশ কিছু ওয়ার্ডে রাতযাপন করেছেন তিনি। কিন্তু এবার ভোটের মুখে ফের রাতযাপন। সমস্যা বুঝে নিয়ে বিধায়ক হিসেবে কাজ করতে চান তিনি। বলছেন, আমি কর্মসূচি নিতেই বিজেপি প্রার্থী এলাকায় যাবেন বলেছেন। আমি অভিভাবক, লোকে আমাকেই চায়।
অন্যদিকে আগামীকালই ওই ওয়ার্ডেই দিনযাপন কর্মসূচি নিয়েছেন বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলছেন, “এলাকায় ট্রাফিক থেকে জঞ্জাল সাফাই সমস্যা বুঝতে হলে দিনই ভালো। রাতের অন্ধকারে এসব বোঝা দায়। তাই উন্নয়নের প্রশ্নেই আমি দিনযাপন করে সমস্যা বুঝে সরকারে এসে কাজ করব। রাতে গেলে আলোর সমস্যা আর সমাজ বিরোধীদের দাপট দেখা যেতে পারে।” দুই প্রার্থীর দ্বৈরথে অবশ্য আপাতত মুখে কুলুপ এঁটে তাড়িয়ে তাড়িয়ে লড়াই উপভোগ করছেন শিলিগুড়ির বাসিন্দারা। এখন দেখার ভোট বাক্সে কার কপাল খোলে। প্রসঙ্গত, শেষ লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গের একাধিক পকেটে ভালই ফল করেছিল শাসক শিবির। ফলে বর্তমানে সেখানে ফের মাটি ফিরে পাওয়া যে বিজেপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।