Annapurna Yojana controversy: ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ নাম করে ফর্ম বিলি, ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ, তপ্ত শিলিগুড়ি
Annapurna Yojana Form Distribution Clash: স্থানীয় সূত্রে খবর, গত দুদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছিলেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, তারা ওই ফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। রবিবার তৃণমূল কর্মীরা এই কাজে বাধা দেন এবং দুই বিজেপি কর্মীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: এলাকায় ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ নাম করে ফর্ম বিলি ও ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই বিজেপি কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত দুদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছিলেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, তারা ওই ফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। রবিবার তৃণমূল কর্মীরা এই কাজে বাধা দেন এবং দুই বিজেপি কর্মীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এর জেরেই শুরু হয় দুই পক্ষের বচসা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুই কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক তরজা
তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্যে ক্ষমতায় না থাকা সত্ত্বেও বিজেপি কেন সরকারি যোজনার নাম করে তথ্য সংগ্রহ করছে? তাদের দাবি, এটি মানুষের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা। এই বেআইনি কাজ রুখতেই তারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিজেপি কর্মীদের আটকের খবর পেতেই থানায় ছুটে যান বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়। তিনি থানায় গিয়ে পুলিশের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান। শিখা চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, “তৃণমূলের প্ররোচনাতেই পুলিশ সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে। আমাদের কর্মীরা সাধারণ প্রচার চালাচ্ছিলেন, কোনও ফর্ম বিলি করা হয়নি।” এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। আটক দুই ব্যক্তিকে নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে।
