Democratic Trinamool Candidate: ঘড়িতে সকাল ৯টা, ‘ঘুমোতে যাচ্ছি’ বলে হাঁটা দিলেন ঋতদের প্রার্থী
রেজিনগরে পোস্টাল ব্যালটের ভোটেই দেখা যায়, ৯৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। গণনা এগোনের পর দেখা যায়, দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে কংগ্রেস।

রেজিনগর: পালাবদলের পর প্রথমবার ভোট (Bye Election) হল বাংলায়। গত ৫ মাসে বদলেছে অনেক রাজনৈতিক সমীকরণ। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রতীক নিয়ে লড়তে হয়েছে রাজ্যের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত হওয়া দল। কয়েকমাস আগেও যেখানে লড়াইটা ছিল বিজেপি আর তৃণমূলের, আজ সেখানে ভেঙে দু টুকরো হয়ে যাওয়া তৃণমূলকে নির্বাচনী ময়দানে খুঁজে পাওয়াই কঠিন। ফল প্রকাশ হতেই সেই চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে গেল। তাই সকাল ৯টাতেই গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ঋতব্রত শিবির তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রার্থী।
রেজিনগরে পোস্টাল ব্যালটের ভোটেই দেখা যায়, ৯৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। গণনা এগোনের পর দেখা যায়, দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে কংগ্রেস।
এই আবহে দেখা যায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “প্রথম রাউন্ড দেখলাম। খাতা খুলেছি। ২-৩টে শিট দেখলাম। কিছু মানুষ ভোট দিয়েছে। জিরো করেনি।”
এই আবহে দেখা যায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “প্রথম রাউন্ড দেখলাম। খাতা খুলেছি। ২-৩টে শিট দেখলাম। কিছু মানুষ ভোট দিয়েছে। জিরো করেনি।”
এত দ্রুত গণনাকেন্দ্র ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন, প্রশ্ন করাতে তিনি বলেন, “আমি বাড়ি যাচ্ছি। একটু বিশ্রাম নেব। একটু ঘুমবো। কাল সারারাত ঘুম হয়নি।” কখন আবার গণনাকেন্দ্রে ফিরবেন? প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “ঘুম ভেঙে আর আসার প্রয়োজন হয় কি না, সেটা একটা প্রশ্ন।”
