AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Srijan Bhattacharya: ‘থাকলে চা-বিস্কুট খাওয়াতাম’, রাতে সৃজনের খোঁজ নিতে হঠাৎ পুলিশ!

Srijan Bhattacharya Questions: সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির পর এবার দেশের সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনকে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে SFI। ইন্ডিয়া শিবিরের শরিক সংগঠনগুলির পাশাপাশি তার বাইরে থাকা ছাত্র সংগঠনগুলিকেও এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এসএফআই-এর তরফে।

Srijan Bhattacharya: 'থাকলে চা-বিস্কুট খাওয়াতাম', রাতে সৃজনের খোঁজ নিতে হঠাৎ পুলিশ!
দিল্লি থেকে সৃজন ভট্টাচার্য Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 09, 2026 | 9:31 AM
Share

নয়া দিল্লি: ‘তাঁরা নাকি খোঁজ নিতে এসেছেন কতজন রয়েছি আমরা? কীসের এত ভয়?’ এবার দিল্লি থেকে প্রশ্ন তুললেন এসএফআই নেতা সৃজন ভট্টাচার্য। খ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিজেপি-বিরোধী একাধিক দল ও সংগঠনের আন্দোলনে তপ্ত দিল্লির রাজপথ। সেই আন্দোলনে সামিল বামেরাও। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ধর্মনিরপেক্ষ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনগুলিকে এক মঞ্চে আনতে চাইছে এসএফআই।

সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির পর এবার দেশের সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনকে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে SFI। ইন্ডিয়া শিবিরের শরিক সংগঠনগুলির পাশাপাশি তার বাইরে থাকা ছাত্র সংগঠনগুলিকেও এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এসএফআই-এর তরফে।

তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লিতে এসএফআই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অফিসে পুলিশি হানার অভিযোগ তুলেছেন সৃজন। ভিডিয়ো বার্তায় তিনি বলেছেন, “দিল্লিতে এসএফআই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অফিসে পুলিশের হানা! হঠাৎ, খোঁজ নিতে নাকি, কারা আছে, কতজন যাবে, আগামী ১০ তারিখ কী হবে? এসএফআই কেন যাবে? তাঁদের কী ভূমিকা? অসংখ্য প্রশ্ন। আমি দুর্ভাগ্যজনকভাবে তখন অফিসে ছিলাম না। আমরা যদি থাকতাম, তাহলে আমরা দিল্লি পুলিশকে আমন্ত্রণ জানাতাম। চা বিস্কুট খাওয়াতাম। বোঝাতাম আসলে আপনাদের ভোটাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেই এই আন্দোলন।” তিনি আরও বলেন, “যিনি ভাবছেন এসএফআই-কে পুলিশ পাঠিয়ে দমাতে পারবেন, তিনি মুর্খের স্বর্গে বাস করতেন।” তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “ছাত্ররা তাদের ভোটাধিকার বাঁচাতে যাবেই ১০ তারিখ।”

ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষার জন্য আন্দোলন জারি রাখার কথা সমাজমাধ্যমে লেখেন আতিশী। অন্যদিকে AISA সভাপতি নেহা বোরাও বিক্ষোভকারীদের আটকের পর ফের রাস্তায় ফিরে আসার দাবি করেন। এরপর পথে নামে এসএফআই, আইসা-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠন। এই বিক্ষোভে সামিল হন সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাত, নেহা বোরাহকে।

Follow Us