AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: সাতসকালে সুন্দরী বৌমার ঘরে ঢুকে এ কী কাজ শ্বশুরের! হাতেনাতে ধরল ভদ্রেশ্বরের লোকজন

Murder: রক্তাক্ত অবস্থায় মিঠুকে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ।

Hooghly: সাতসকালে সুন্দরী বৌমার ঘরে ঢুকে এ কী কাজ শ্বশুরের! হাতেনাতে ধরল ভদ্রেশ্বরের লোকজন
মিঠু মিত্রImage Credit: TV-9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 06, 2024 | 1:27 PM
Share

ভদ্রশ্বের: পাশে দশ বছরের মেয়েকে নিয়ে ঘুমাচ্ছিল মা। আচমকা ঘরে ঢুকে এল শ্বশুর। হাতে কাটারি। রুদ্রমূর্তি দেখে কিছু বুঝে ওঠার আগেই গলায় একের পর এক কোপ। রক্তে ভেসে গেল গোটা বাড়ি। চিৎকার শুনে পালানোর চেষ্টা করেও রেহাই পেল না শ্বশুর। ধরে ফেলল প্রতিবেশীরা। কিন্তু, কেন আচমকা ওই ব্যক্তি এই কাজ করলেন তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। চাঞ্চল্যকর ঘটনা হুগলির ভদ্রেশ্বর পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের পাল পাড়া এলাকায়। 

পাল পাড়াতেই থাকতেন মিঠু মিত্র (২৯)। পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, তাঁর স্বামী নীলাংশু এদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন। আর সেই সময়েই কাটারি হাতে ঘরে ঢুকে আসেন শ্বশুর হিমাংশু মিত্র। মিঠুর গলায় এলোপাথারি কোপ মারতে থাকেন বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। চিৎকার শুরু করে দেয় তাঁর দশ বছরের মেয়ে। ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান শ্বশুর।

রক্তাক্ত অবস্থায় মিঠুকে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ। তবে কেন আচমকা তিনি এ কাজ করলেন তাঁর কোনও সদুত্তর মেলেনি। জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদেরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, পারিবারিক অশান্তির কারণে এমনটা করে থাকতে পারেন হিমাংশু। তাঁর কঠোর শাস্তিরও দাবি উঠেছে। অন্যদিকে মিঠুর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

Follow Us