Arambag: ভোট মিটলেই কি অশান্তি থামাতে হবে? আরামবাগের ছবিটা যেন তেমনই বলছে…
Arambag: তৃণমূলের অভিযোগ, এদিন রঞ্জিত ও দেবাশিস বাইকে আরামবাগের আমতলা দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁদের উপর হামলা হয়। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

আরামবাগ: ভোট মিটলেও আরামবাগ, গোঘাটে রাজনৈতিক অশান্তি থামছেই না। দুই তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত পুরএলাকা। রবিবার বিকালে আরামবাগ পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলা এলাকার দুই তৃণমূল কর্মী রঞ্জিত কাড়ি ও দেবাশিস ঘোড়ুইয়ের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির কর্মী সমর্থকদের দিকেই আঙুল তুলছে শাসকশিবির। যদিও বিজেপির দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলেরই ফল এটি।
তৃণমূলের অভিযোগ, এদিন রঞ্জিত ও দেবাশিস বাইকে আরামবাগের আমতলা দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁদের উপর হামলা হয়। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে হাসপাতালে যান আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী ও আরামবাগ পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় ঘোড়ুই। স্বপন নন্দী বলেন, “এর আগেও বিজেপির ছেলেরা মারধর করেছে। রণজিতের অবস্থা খারাপ। দেবাশিস ঘোড়ুইকেও মারধর করেছে। ওকে তো তুলে নিয়ে চলে গিয়েছিল। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, বিজেপির ছেলেরা মারধর করছে। ওরা জটলা করে থাকছে, আমাদের কেউ গেলেই মারছে।”
যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আরামবাগের বিজেপি বিধায়ক মধুসূদন বাগ বলেন, “গতকাল ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের কর্মী শ্রীমন্ত মালিককে তৃণমূলের লোকেরা খুবই মেরেছে। আমরা আমাদের দলের লোকজনকে সংযত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। তারা সংযতই আছে। বিজেপির লোকেরা কাউকে মারছে না। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বলেই ওখানকার বিজেপির কর্মীদের কাছ থেকে খবর পেয়েছি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্কই নেই।”
