Calcutta High Court: বকরি ইদে গো হত্যায় ছাড় দেওয়ার বিষয় রাজ্য সরকারের উপরেই ছাড়ল হাইকোর্ট
Bakri Eid Cow Slaughter Exemption Case: এদিকে বকরি ইদে গো হত্যা বন্ধ নিয়ে এদিন আদালতে জোরদার সওয়াল করেন মামলাকারীর আইনজীবী দেবযানী সেনগুপ্ত। বলেন, “বকরি ইদে গো-হত্যার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হোক।”

কলকাতা: তীব্র বিতর্ক, রাজনৈতিক মহলে জোরদার চাপানউতোরের মধ্যেই বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছিল শুনানি। কিন্তু স্থগিত ছিল রায়দান। শেষ পর্যন্ত বকরি ইদে গো হত্যায় ছাড় দেওয়ার বিষয় রাজ্য সরকারের উপরেই ছাড়ল হাইকোর্ট। ছাড় দেওয়া যায় কি না, তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে খতিয়ে দেখতে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আপাতত সরকারি বিজ্ঞপ্তি খারিজ নয় জানাল আদালত।
এদিকে বকরি ইদে গো হত্যা বন্ধ নিয়ে এদিন আদালতে জোরদার সওয়াল করেন মামলাকারীর আইনজীবী দেবযানী সেনগুপ্ত। বলেন, “বকরি ইদে গো-হত্যার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হোক।” প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পশুহত্যা যে কঠোর নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তা নিয়েই যত চাপানউতোর। গরু, মোষ, বাছুর হত্যার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে।
এই সমস্ত শর্তই কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে এদিন একের পর এক প্রশ্ন ওঠে আদালতে। যদিও এখনও কসাই খানা চালানো ও গো হত্যা নিয়ে দায়ের একগুচ্ছ মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্ট রাজ্যের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিই বজায় রেখেছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে জানিয়েছে, যেহেতু ১৯৫০ সালের এই সংক্রান্ত আইনে ধর্মীয়, চিকিৎসা ও গবেষণার মতো কারণে পশু বলিতে ছাড় দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে, তাই এইক্ষেত্রে ধর্মাীয় কারণে ছাড় দেওয়া যায় কি না, তা বিবেচনা করুক সরকার। এখন দেখার সরকার নতুন করে কোনও সিদ্ধান্ত নেয় নাকি পুরনো সিদ্ধান্তই বলবৎ থাকে।
