Hooghly: সুখের সংসারেও ছিল ‘কাঁটা’, স্ত্রীর কীর্তি জানতেন শাশুড়িও, লোক দিয়েই কি করানো হল সবটা
Hooghly: শুক্রবার সকালে রমেশ মুদালিয়াকে পড়ে থাকতে দেখে চমকে যান এলাকার বাসিন্দারা। প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ওই দৃশ্য দেখেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁরা।

হুগলি: সাত সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে মাঠের মাঝখানে রমেশ মুদালিয়াকে শুয়ে পড়ে থাকতে দেখেন পাড়ার লোকজন। খবর পৌঁছতেই জড় হন এলাকার বাসিন্দারা। গিয়ে দেখেন রক্তে ভিজে যাচ্ছে ওই ব্যক্তির শরীর। বোঝা যায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ সূত্রের খবর ওই ব্যক্তিকে কোপানে হয়েছে, মাথাও থেঁতলে দেওয়া হয়েছে।
হুগলির দেবানন্দপুরের দক্ষিণ নলডাঙা সৃজন পল্লীর ঘটনা। ৩৮ বছরের ওই যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আত্মীয় থেকে প্রতিবেশী, সবারই আঙুল রমেশের স্ত্রী’র দিকে। স্ত্রী’র অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতেন অনেকেই। বাড়ির সদস্যদেরও অজানা ছিল না। তাঁদের দাবি, স্ত্রীই লোক দিয়ে খুন করিয়েছেন স্বামীকে।
চুঁচুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় সকালেই। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। উত্তেজিত জনতা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। যুবকের স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
জানা গিয়েছে মাদক মামলায় জেলে বন্দি ছিলেন রমেশ। মাস দেড়েক আগে ছাড়া পান তিনি। স্ত্রী’র অন্য যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অশান্তি হত বলে দাবি প্রতিবেশীদেরও। গতকাল, বৃহস্পতিবার অশান্তি চলছিল বলে জানতে পেরেছেন তাঁরা। মৃতের ভাই উমেশ মুদালিয়া জানান, দাদার ১০ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। বৌদির বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, যা নিয়ে অশান্তি হত। লোক দিয়ে দাদাকে খুন করিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মৃতের সৎ মা নাগরানী মুদালিয়া বলেন, “বউমার অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। সেই ছেলের কাছে বন্দুক থাকত। ওরাই রমেশকে খুন করিয়েছে।”
