AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hindmotor in West Bengal: হিন্দমোটরে আবার জ্বলবে আলো! মিলল বড় ইঙ্গিত, আশায় বুক বাঁধছে উত্তরপাড়া

Hindmotor New Project: ধুঁকতে ধুঁকতে ২০১৪ সালে হিন্দুস্তান মোটরস কারখানার ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায়। যে কারখানাকে কেন্দ্র করে এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থা বদলে গিয়েছিল, সেই কারখানা বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের কাজ হারানোর পাশাপাশি এলাকার ব্যবসা বাণিজ্যেও প্রভাব পড়ে। কালো অন্ধকার নেমে আসে গোটা এলাকায়।

Hindmotor in West Bengal: হিন্দমোটরে আবার জ্বলবে আলো! মিলল বড় ইঙ্গিত, আশায় বুক বাঁধছে উত্তরপাড়া
বন্ধ হয়ে যাওয়া হিন্দমোটরের কারখানাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 27, 2026 | 3:18 PM
Share

উত্তরপাড়া: বছর কয়েক আগেও এলাকার চেহারা ছিল একেবারে অন্যরকম। শুধু কি কারখানা! রমরম করে চলত স্কুল, নিয়মিত পুজো হত মন্দিরে। আলোয় ঝলমল করত গোটা এলাকা। এখন শুধু ‘হিন্দমোটর’ (Hindmotor) নামটাই রয়ে গিয়েছে। বিঘের পর বিঘে পড়ে আছে অন্ধকারে। যে রাস্তায় গাড়ি তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হত, সেই রাস্তা এখন খানাখন্দে ভরা, জ্বলে না কোনও আলো। বিড়লাদের লিজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর জমি এখন রাজ্যের হাতে। এবার সেই হিন্দমোটরকে ঘিকে আশায় বুক বাঁধছেন এলাকার মানুষ।

সূত্রের খবর, হিন্দুস্তান মোটরসের পরিত্যক্ত জমিতে ইলেকট্রিক ভেহিকেল কারখানা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে হিন্দুস্তান মোটরস। রাজ্য বিজেপির ফেসবুক পেজে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে পোস্ট করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ও।

৭০০ একর জমিতে তৈরি হত অ্যাম্বাসাডর

উত্তরপাড়ায় প্রায় ৭০০ একর জমির উপরে দেশের প্রথম গাড়ি কারখানা তৈরি হয়েছিল। কয়েক হাজার শ্রমিক এই কারখানায় কাজ করতেন। উত্তরপাড়া আর কোন্নগরের মাঝে এই কারখানার জন্যই তৈরি হয়েছিল হিন্দমোটর রেল স্টেশন। হিন্দুস্তান মোটরস কারখানায় তৈরি হওয়া অ্যাম্বাস্যাডর গাড়ি দেশে-বিদেশে সমাদৃত ছিল। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকতে পারেনি গাড়িটি। অ্যাম্বাসার গাড়ির আধুনিকীকরণ করা হয়নি। ফলে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ে অ্যাম্বাসাডর।

ধুঁকতে ধুঁকতে ২০১৪ সালে হিন্দুস্তান মোটরস কারখানার ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায়। যে কারখানাকে কেন্দ্র করে এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থা বদলে গিয়েছিল, সেই কারখানা বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের কাজ হারানোর পাশাপাশি এলাকার ব্যবসা বাণিজ্যেও প্রভাব পড়ে। কালো অন্ধকার নেমে আসে গোটা এলাকায়।

প্রস্তাব দিয়েছে হিন্দমোটর

হিন্দুস্তান মোটরসের জমির ৩০০ একর জমি আগেই আবাসন প্রকল্পের জন্য একটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া টীটাগড় ওয়াগনের কারখানাকে দেওয়া হয়েছে আরও ৪০ একর। সেখানে তৈরি হয় মেট্রোর রেক। সূত্রের খবর, বাকি পড়ে থাকা জমিতে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে হিন্দুস্তান মোটরস।

এই খবর সামনে আসতেই খুশি এলাকাক বাসিন্দারা। যাঁরা হিন্দমোটরে কাজ করতেন, তাঁরা বলছেন, “কারখানা শুরু হলে খুব খুশি হব। আবার নতুন ছেলেরা কাজ পাবে। এলাকার উন্নয়ন হবে।” বিজেপি নেতা পঙ্কজ রায় বলেন, “রাজ্য সরকার হিন্দ মোটরের কাছে ডিপিআর চেয়েছে। প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা করত বলা হয়েছে। আমাদের সরকার আসার ৪-৫ মাসের মধ্যে বিড়লারা ফিরে আসছে।” বিজেপির মুখপাত্র প্রণয় রায় বলেন, “বর্তমানে রাজ্যের হাতে হিন্দমোটরের জমি আছে। মেট্রোর কোচ তৈরির কারখানাও আরও বড় করা হতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব শিল্প হবে। এতটা অব্যবহৃত জায়গা পড়ে আছে।”

Follow Us