AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: কথিত আছে এই নীল সরস্বতীর ‘বরপুত্র’ সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, আজও পূজা হয় এই গ্রামে

জানা যায়, মা তারার আর এক রূপ নীল সরস্বতী পুজোর প্রথম প্রচলন হয়েছিল বীরভূমের লাভপুরে। কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ১৩০৫ সালের ৮ শ্রাবণ জন্ম হয় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার ঠিক ১০ মাস আগে সতীপীঠ ফুল্লরার সাধক ও তান্ত্রিক রামজী গোঁসাইয়ের পরামর্শে লাভপুরের জমিদার হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী প্রভাতী দেবী নীল সরস্বতীর পূজা করেন।

Hooghly: কথিত আছে এই নীল সরস্বতীর 'বরপুত্র' সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, আজও পূজা হয় এই গ্রামে
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 23, 2026 | 5:09 PM
Share

হুগলি: বাংলার কোন কোন প্রান্তে যে কোন রীতি লুকিয়ে আছে, তা অনেকেরই জানা নেই। সরস্বতী বলতেই আমরা বুঝি পদ্মাসনে শ্বেত মূর্তি। কিন্তু নীল সরস্বতীর কথা জানেন না অনেকেই। হুগলিতে পূজিত হন নীল সরস্বতী। এই দেবীর বরেই নাকি জন্ম হয়েছিল কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

হুগলির হরিপালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভৈরব জ্ঞানানন্দ মহেশ্বর। তারাপীঠে তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তাঁরা। এরপরই হরিপালে তৈরি করেন আশ্রম। আশ্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই নীল সরস্বতী পূজার প্রচলন হয় হরিপালের এই আশ্রমে। জ্ঞানানন্দ বাবা গত হওয়ার পরও শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সাথে আজও বসন্ত পঞ্চমীর তিথিতে পূজিতা হন নীল সরস্বতী। কথিত আছে একমাত্র সাধু বা সাধকরাই নীল সরস্বতী আরাধনা করতে পারেন কারণ মা তারার আর এক রূপ এই নীল সরস্বতী।

জানা যায়, মা তারার আর এক রূপ নীল সরস্বতী পুজোর প্রথম প্রচলন হয়েছিল বীরভূমের লাভপুরে। কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ১৩০৫ সালের ৮ শ্রাবণ জন্ম হয় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার ঠিক ১০ মাস আগে সতীপীঠ ফুল্লরার সাধক ও তান্ত্রিক রামজী গোঁসাইয়ের পরামর্শে লাভপুরের জমিদার হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী প্রভাতী দেবী নীল সরস্বতীর পূজা করেন সন্তান প্রাপ্তির আশায়।

মা তারার আশীর্বাদে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়। এই বিশ্বাসেই হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলের নাম রাখেন তারাশঙ্কর। নীল সরস্বতীর গাত্রবর্ণ নীল, সমগ্র দেহে সাপ জড়ানো। দেবীর পায়ের নীচে থাকে জটাধারী শবরূপ মহাদেব। দেবীর গলায় মুন্ড মালা, হাতে নরমুন্ড ও পরনে থাকে বাঘছাল। ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয় খিচুড়ি, লুচি, সুজি। গ্রামের প্রায় সমস্ত মানুষজন রাতে পাত পেড়ে মায়ের প্রসাদ গ্রহণ করেন।