
উত্তরপাড়া: ‘বামেরা কনসা কর্মসংস্থান করেছিল, গঙ্গার দুই পারে সব চটকল ইউনিয়নবাজি করে বন্ধ করে দিয়েছিল এখন শিল্প হয়নি শিল্প হয়নি বলে মরা কান্না কাঁদলে হবে!’, বামেদের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই আক্রমণ শানালেন প্রতীকূর রহমান। বুধবার সন্ধ্যায় তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে যোগ দিয়ে উত্তরপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রতীকূর। শীর্ষণ্যকে পাশে নিয়েই এদিন সিপিএমের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তিনি। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
এদিন ঢাক বাজিয়ে, ফুল ছিটিয়ে চলে কল্যাণ-পুত্র শীর্ষণ্যর ভোট প্রচার। সেখানেই সদ্য সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে আসা প্রতীকূর বামেদের সম্পর্কে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “এই হুগলি জেলাতেই গঙ্গার পাড়ে চটকল ছিল, ইউনিয়নবাজি করে সব বন্ধ করে দিয়েছে। এখন শিল্প হয়নি, শিল্প হয়নি বলে মরা কান্না কাঁদলে হবে। বামেরা কনসা কর্মসংস্থান করেছিল।” সিপিএম তাদের প্রচারে বলছে, তৃণমূল সরকারে আমলে রাজ্যে দুষ্কৃতী-রাজ চলছে। এ কথা শুনে প্রতীকূর বলেন, “সিপিএমের কি কোনও প্রাসঙ্গিকতা আছে? শূন্য পাওয়া একটা দল, শুধু তাই নয়, এত সিপিএম সিপিএম করলে হবে? আগে প্রাসঙ্গিক হোক, তারপর কথা বলব।”
বিজেপি নির্বাচনে ‘গোহারা হারবে’ বলে মন্তব্য করেন প্রতীকূর। ফর্ম ৬ নিয়েও এদিন অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রতীকূর দাবি করেন, ৬০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার পরেও বস্তায় ভরে ফর্ম নিয়ে যেতে হচ্ছে, বিহার থেকে উত্তর প্রদেশ থেকে ভোটার ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ভোটের আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন প্রতীকূর রহমান।