Ram Navami: রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর, রামনবমীর মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ, তপ্ত শ্রীরামপুর
বটতলায় একটি রেস্তোরাঁর সামনে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই মিছিল থেকে কয়েকজন হুড়মুড়িয়ে ওই রেস্তোরাঁয় ঢুকে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রামনবমী মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ রেস্তোরাঁ সামনের দরজার কাচ ভেঙ্গে দেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শ্রীরামপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

হুগলি: শ্রীরামপুরে রাম নবমীর মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ। সেখান থেকেই রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল। রবিবার রামনবমীর একটি মিছিল শুরু হয় বৈদ্যবাটি থেকে। শেষ হওয়ার কথা ছিল শ্রীরামপুর বটতলায়৷ শ্রীরামপুর কালীতলায় এলাকায় মিছিলটি পৌঁছলে মিছিলে থাকা রাম ভক্তরা অস্ত্র প্রদর্শন করছিলেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসতেই নিষেধ করে পুলিশ। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। কার্যত পুলিশের নিষেধ তোয়াক্কা না করেই মিছিল এগিয়ে যেতে থাকে। বটতলার আগে পুলিশের সঙ্গে আবার বচসা শুরু হয় মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের।
বটতলায় একটি রেস্তোরাঁর সামনে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই মিছিল থেকে কয়েকজন হুড়মুড়িয়ে ওই রেস্তোরাঁয় ঢুকে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রামনবমী মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ রেস্তোরাঁ সামনের দরজার কাচ ভেঙ্গে দেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শ্রীরামপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। আধ ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ এই ঘটনায় মামলা রুজু করে একজনকে আটক করে। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার শ্রীরামপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অরাজনৈতিকভাবে ওই রেস্তোরাঁর সামনে গিয়ে প্রতিবাদ প্রদর্শন করা হয়। তৃণমূলের এক মহিলা কাউন্সিলর অভিযোগ করেন, অনেক মহিলা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন তাঁরা ভয় পেয়েছেন।
শ্রীরাপুরের বিজেপি প্রার্থী ভাস্কর ভট্টাচার্য বলেন, “এই ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে পুলিশ প্রশাসন দায়ী। তারা শক্তভাবে এখনও এখানে প্রশাসনটাকে ধরতে পারেনি। ওর মধ্যে কারোর প্ররোচনা রয়েছে কিনা, সেটাও দেখতে হবে। বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে কেউ এটা করতে পারে। যেহেতু ওখানে রামনবমীর মিছিল যাচ্ছিল, তাই তাদেরকে বলা হচ্ছে। ওদের ভিড়ে মিশে করতে পারে।”
