AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly Poll Security Measures: ‘প্রতিদিন থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে’, ভোট শান্তিপূর্ণ করতে কী কী পদক্ষেপ করল হুগলি প্রশাসন?

West Bengal assembly election 2026: চন্দনগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব বলেন, "যাদের বিগত নির্বাচনে অশান্তি বা ক্রিমিনাল কার্যকলাপ রয়েছে, এমন সব ট্রাবল মেকারদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে এই নির্বাচনে তারা কোনওরকম অশান্তি ঘটানোর চেষ্টা না করে। ইতিমধ্যেই কমিশনারেট এলাকায় ২৮ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭২ জনকে প্রতিদিন স্থানীয় থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সকলের থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে তারা এই নির্বাচনে কোনওরকম অশান্তি করবে না।"

Hooghly Poll Security Measures: 'প্রতিদিন থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে', ভোট শান্তিপূর্ণ করতে কী কী পদক্ষেপ করল হুগলি প্রশাসন?
কী বললেন হুগলির জেলাশাসক?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 26, 2026 | 7:55 PM
Share

চন্দননগর: ভোটের দিন অশান্তি করলে নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা। এলাকার বেশ কিছু ট্রাবল মেকারকে নেওয়া হয়েছে হেফাজতে। বাকিদের প্রতিদিন হাজিরা দিতে বলা হয়েছে স্থানীয় থানায়। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য এই সব পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে জানাল হুগলি প্রশাসন। কোনও বহিরাগত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে হোটেলগুলিতে আচমকা ভিজিট করা হবে বলেও জানিয়ে দিল পুলিশ।

দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে হুগলিতেও। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে তৎপর হুগলি প্রশাসন। এই নিয়ে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরী এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব।

কী বললেন জেলাশাসক?

জেলায় অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়ে এদিন হুগলির জেলাশাসক বলেন, “ভোটের দিন শুধুমাত্র বৈধ ভোটার ছাড়া পোলিং স্টেশনের ১০০ মিটার মধ্যে কোনও জমায়েত করা যাবে না। পোলিং বুথে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। যদি কেউ মোবাইল নিয়ে ভোট দিতে যান, তবে বুথের বাইরে মোবাইল কর্নার থাকবে সেখানে তাঁকে মোবাইল জমা দিয়ে বুথে প্রবেশ করতে হবে। তারপরও যদি বুথের ভেতরে কেউ মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের দিন ১৬৩ ধারা লাগু থাকবে। কোনও দলীয় প্রার্থী যদি তাঁর ক্যাম্প করেন, তবে সেই ক্যাম্প বুথের ২০০ মিটার পর করতে হবে। তবে সেই ক্যাম্পেও দুই থেকে তিনজনের বেশি থাকতে পারবেন না।”

প্রত্যেক বিধানসভার যেসব হোটেলে অনেকে এসে ভাড়ায় থাকেন, সেই সব হোটেলে আচমকা ভিজিট করবে পুলিশ এবং প্রশাসন। এক বিধানসভার লোক যাতে আর এক বিধানসভায় এসে কোনওরকম গন্ডগোল করতে না পারেন, সেজন্যই হোটেলগুলিতে আচমকা হানা দেবে পুলিশ। জেলাশাসক জানান, অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করতে প্রস্তুত হুগলি জেলা প্রশাসন।

চন্দনগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব বলেন, “চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় প্রত্যেক থানায় ট্রাবল মেকারদের একটি করে লিস্ট তৈরি করা হয়েছে। যাদের বিগত নির্বাচনে অশান্তি বা ক্রিমিনাল কার্যকলাপ রয়েছে, এমন সব ট্রাবল মেকারদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে এই নির্বাচনে তারা কোনওরকম অশান্তি ঘটানোর চেষ্টা না করে। ইতিমধ্যেই কমিশনারেট এলাকায় ২৮ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭২ জনকে প্রতিদিন স্থানীয় থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সকলের থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে তারা এই নির্বাচনে কোনওরকম অশান্তি করবে না।”

একইসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, “ভোট ঘোষণা পর থেকেই এলাকায় রুট মার্চ চলছিল। এবার সেই রুট মার্চের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী বাইক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটের আগের দিন সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন ভোর ছটা পর্যন্ত এমারজেন্সি কাজ ছাড়া একাধিক ব্যক্তি বাইকে চলাচল করতে পারবে না। অযথা জমায়েত করা যাবে না।”

Follow Us