Nepal Flash Flood: ‘নেপালে যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছানোও হয়ে গিয়েছিল…’, শুধুমাত্র এই জিনিসের জন্যই প্রাণে বাঁচলেন কোন্নগরের তপতী
Nepal Flash Flood news: বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটের ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয় নেপালে। আচমকা হড়পা বান আসে নেপালী নদী ভোতে কোশীতে। চোখের পলক পড়ার মতো গতিতে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় নেপালের নুয়াকোট ও ধান্দিং জেলা। একাধিক গ্রাম নিমেষে ভেসে যায়। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ মৃত।

কোন্নগর: ব্যাগপত্র সব গোছানো হয়ে গিয়েছে। অনেক কিছু কেনাকাটাও করেছিলেন কোন্ননগরের তপতী সিনহা। এক পর্যটন সংস্থার সঙ্গে নেপালে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু ভিসা হয়নি। আর তাই যাওয়া বাতিল। এখন তপতীদেবী বসে আছেন লাদাখে। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। কারণ নেপালে গেলে অবস্থা কী হতে পারত তা হয়ত আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটের ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয় নেপালে। আচমকা হড়পা বান আসে নেপালী নদী ভোতে কোশীতে। চোখের পলক পড়ার মতো গতিতে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় নেপালের নুয়াকোট ও ধান্দিং জেলা। একাধিক গ্রাম নিমেষে ভেসে যায়। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ মৃত। বহু মানুষ নিখোঁজ। ২৬ জন নেপাল পুলিশের আধিকারিকও নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। খোঁজ নেই একাধিক বাঙালি পর্যটকের।
ভিসা হয়ে গেলে এই নেপালেই হয়ত যেতেন তপতী। কিন্তু বুধবার দুপুরে সংবাদ কানে আসতেই ভয়ে শিউরে উঠছেন তিনি। এখন তার মেয়ে ফোনে বলছে, যা হয় ভালোর জন্য হয়। কিন্তু নিজে কোনওভাবে বেঁচে গেলেও কার্যত চিন্তা ও উৎকণ্ঠায় কাটছে বাকি পর্যটকদের জন্য। শুধু চাইছেন সকলেই যেন বেঁচে ফিরুন। টিভি ৯ বাংলাকে ফোনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “আমাদের ২১ অগস্ট বেরনোর কথা ছিল। ঠিক পাঁচ দিন আগে জানতে পারি ভিসা আসেনি। অথচ সকলের ভিসা এসে গিয়েছিল আমারটাই এল না। আমার এত কষ্ট হয়েছিল তখন। চার মাস ধরে স্বপ্ন ছিল নেপালে যাব। আমি ২১ তারিখই লাদাখে চলে আসি। গা হাত পা কাঁপছে আমার খবরে। যাঁরা গিয়েছেন তাঁরা হাজার কষ্ট হলেও যেন প্রাণ নিয়ে ফিরে আসেন।”
