AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Youtuber Arrest In Bengal: তৃণমূল নেতা নয়, বাংলায় এবার গ্রেফতার ইউটিউবার! কেন?

YouTuber Extortion Case: কাউন্সিলর মৌসুমী বিশ্বাস বলেন, "গত কয়েকদিন ধরে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। অবশেষে এই ব্ল্যাকমেলার গ্রেফতার হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছি। আমি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি চাই।" সোমবার উত্তরপাড়া পুরসভায়  প্রথম কিস্তির টাকা নিতে এসেই পুলিশের জালে ধরা পড়ে শুভজ্যোতি ও তাঁর সঙ্গী।

Youtuber Arrest In Bengal: তৃণমূল নেতা নয়, বাংলায় এবার গ্রেফতার ইউটিউবার! কেন?
গ্রেফতার ইউটিউবারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 09, 2026 | 6:04 PM
Share

হুগলি: তোলাবাজি, হুমকি এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে উত্তরপাড়া থেকে গ্রেফতার হওয়া ইউটিউবার শুভজ্যোতি চক্রবর্তী ও তার সঙ্গীকে কোমরে দড়ি বেঁধে শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করল পুলিশ। সোমবার উত্তরপাড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী বিশ্বাসের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। আজ ধৃতদের আদালতে পেশ করে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী বিশ্বাস সম্প্রতি একটি বাড়ি তৈরি করছিলেন। অভিযোগ, সেই বাড়ি তৈরিতে জলাশয় বোজানো হয়েছে— এই মর্মে ভয় দেখিয়ে কাউন্সিলরের কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন ইউটিউবার শুভজ্যোতি চক্রবর্তী। টাকা না দিলে পরিণতি ভালো হবে না বলে হোয়াটস্যাপ কলে লাগাতার হুমকি ও ব্ল্যাকমেল করা হতে থাকেন শুভজ্যোতি।

কাউন্সিলর মৌসুমী বিশ্বাস বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। অবশেষে এই ব্ল্যাকমেলার গ্রেফতার হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছি। আমি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি চাই।” সোমবার উত্তরপাড়া পুরসভায়  প্রথম কিস্তির টাকা নিতে এসেই পুলিশের জালে ধরা পড়ে শুভজ্যোতি ও তাঁর সঙ্গী।

শ্রীরামপুর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেন ইউটিউবার শুভজ্যোতি চক্রবর্তী। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, “আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। চোর-চিটিংবাজ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলর সিন্ডিকেট করে কয়েক হাজার কোটি টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছে। তারাই এখন আমাকে ফাঁসাল।” তবে এই কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনও কাউন্সিলরের নাম নেননি।

অভিযোগ, নেতাদের সঙ্গে তাঁর এই সুসম্পর্কের প্রভাব খাটিয়ে তিনি নীচুতলার সাধারণ কর্মীদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করতেন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোল বদলে দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তাঁর এই হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে ইতিপূর্বেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Follow Us