Howrah: ভরসন্ধ্যায় হাওড়ায় চাঞ্চল্য, ‘যাত্রীসাথী’র নীল-সাদা ট্যাক্সি খুলতেই বেরল একগুচ্ছ পিস্তল, কার্তুজ
ট্যাক্সিচালক বরানগর অশোক গড়ের বাসিন্দা। তাঁর নাম রাজেশ কানোয়ার। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, কীভাবে ওই আগ্নেয়াস্ত্র ট্যাক্সির ভিতর এল। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভরসন্ধ্যায় কলকাতা শহরের এত কাছে এই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

হাওড়া: শহরের উপকন্ঠে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যে ট্যাক্সিতে সাধারণ মানুষ নিত্যদিন যাতায়াত করেন, সেই ট্যাক্সি থেকেই উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ কার্তুজ, সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র। বুধবার সন্ধ্যায় হাওড়ার (Howrah) বালির নিশ্চিন্দা অভয়নগরে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ তল্লাশি অভিযান চালায়। সেই তল্লাশিতেই উদ্ধার হয় ওই আগ্নেয়াস্ত্র।
ডানলপ থেকে একটি ‘যাত্রীসাথী’ ট্যাক্সি যাচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ট্যাক্সিতে তল্লাশি চালায় এসটিএফ। চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ওই গাড়ি থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কে বা কারা এই ট্যাক্সিতে উঠেছিল, তার খোঁজে তল্লাশি চলছে এলাকা জুড়ে।
গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১টি নাইন এমএম পিস্তল,৩ টি সেভেন এমএম পিস্তল, চারটি ম্যাগজিন এবং ২৯ রাউন্ড কার্তুজ ও একটি দেশি বন্দুক। গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। চালককে সাক্ষী হিসেবে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ট্যাক্সিচালক বরানগর অশোক গড়ের বাসিন্দা। তাঁর নাম রাজেশ কানোয়ার। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, কীভাবে ওই আগ্নেয়াস্ত্র ট্যাক্সির ভিতর এল। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভরসন্ধ্যায় কলকাতা শহরের এত কাছে এই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কোনও বড়সড় হামলার ছক ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নীল-সাদা ট্যাক্সি করে ওই অস্ত্র কোথাও পাচার করা হচ্ছিল কি না, সেটাও দেখছে পুলিশ।
