
হাওড়া: ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ হয়নি লোকসভায়। শুক্রবার প্রয়োজনীয় ভোট না পড়ায় বিল পাশ করানো সম্ভব হয়নি। এই বিষয়টাকে একদিকে সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিরোধীরা, অন্যদিকে বিরোধীদের ‘মহিলা-বিরোধী’ তকমা দিচ্ছে বিজেপি। এবার সেই বিষয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মোদীকে পরাস্ত করেছে বিরোধীরা। ‘পতনের শুরু’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটা মহিলা বিল নয়, মহিলা বিলের নামে ৫৪৩টা সিট বাড়াতে চেয়েছিল। দেশটাকে ভাগ করতে চেয়েছিল। আমরা পরাস্ত করেছি। আমাকে ২০ জন সাংসদ পাঠাতে বলেছিল, আমি ২১ জন সাংসদ পাঠিয়েছি। পতন শুরু হয়েছে। বাংলাকে টার্গেট করলে, আমরা দিল্লিকে টার্গেট করি।”
তবে বিজেপির দাবি, আসলে তৃণমূল তথা বিরোধীরা মহিলা-বিরোধী জোট হিসেবে বিরোধিতা করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মহিলা বিরোধী জোট। তৃণমূলের আসল স্বরূপ প্রকাশিত হয়েছে। এর উচিৎ শিক্ষা দেবে বাংলার মা-বোনেরা।” বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “তাতে কিছু এসে যায় না। কোনও শক্তিই আর তৃণমূলকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না।” কবে মহিলাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন মমতা? পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা।
শুক্রবার বিল ব্যর্থ হওয়ার পর শনিবার বৈঠকে বসেন ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরা। ওই বৈঠকেই বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম সিদ্ধান্ত হল, প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখা হবে। সেই চিঠিতে মূলত ২০২৩ এর মতো মহিলা সংরক্ষণ বিলকে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানানো হবে।