Howrah: গোটা শরীর আগুনে জ্বলছে, ‘বাঁচাও বাঁচা’ বলে বেরিয়ে এলেন বৃদ্ধ, স্ত্রীর ব্যবহারে সন্দেহ প্রতিবেশীদের

শিয়ালদহের বি আর সিং হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হাওড়া থানার পুলিশ। প্রতিবেশীদের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ওই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, প্রায়ই ওই বৃদ্ধকে টাকার জন্য মারধর করতেন স্ত্রী এবং ছেলে। আজও সকাল থেকে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।

Howrah: গোটা শরীর আগুনে জ্বলছে, বাঁচাও বাঁচা বলে বেরিয়ে এলেন বৃদ্ধ, স্ত্রীর ব্যবহারে সন্দেহ প্রতিবেশীদের
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 08, 2026 | 9:13 PM

হাওড়া: ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন বৃদ্ধ। তাঁর গোটা শরীর আগুনে ঝলসে গিয়েছে। এই দৃশ্য দেখে চমকে ওঠেন প্রতিবেশীরা। পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় শিয়ালদহের বি আর সিং হাসপাতালে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া থানার পুলিশ।

রবিবার দুপুরে মধ্য হাওড়ার মধুসূদন বিশ্বাস লেনের একটি বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় এক বৃদ্ধকে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আহত বৃদ্ধের নাম নিখিল রঞ্জন বসু (৬১)। রেলের অবসরপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক তিনি।

ওই বাড়িতে স্ত্রী সুমিতা বসু এবং একমাত্র ছেলে অনিলাভ রঞ্জন বসুকে সঙ্গে নিয়ে থাকতেন রঞ্জন। ছেলে আগে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি কোনও কাজ করতেন না। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন নিখিল রঞ্জন বাবুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের মাঝেমধ্যেই গন্ডগোল হতো। রবিবার সকালেও প্রতিবেশীরা বাড়ির মধ্যে থেকে প্রবল চীৎকার এবং মারধরের আওয়াজ শুনতে পান। তারপরই দুপুর ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে।

যখন তিনি অগ্নিদগ্ধ হন, সেই সময় স্ত্রী বাড়ি থাকলেও ছেলে বাড়ি ছিলেন না। তবে স্বামী অগ্নিদগ্ধ হলেও কেন স্ত্রী প্রতিবেশীদের কোনও খবর দিলেন না, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। নিখিলবাবুর শরীরে আগুন লাগানো হয়েছে না কি তিনি নিজে আগুন লাগিয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে তাঁর শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ পুড়ে যায়। প্রতিবেশীদের সাহায্যে ওই বৃদ্ধকে প্রথমে হাওড়া ময়দানের রেলওয়ে অর্থোপেডিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখান থেকে তাঁকে শিয়ালদহের বি আর সিং হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হাওড়া থানার পুলিশ। প্রতিবেশীদের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ওই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, প্রায়ই ওই বৃদ্ধকে টাকার জন্য মারধর করতেন স্ত্রী এবং ছেলে। আজও সকাল থেকে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের। তারপরই এই ঘটনা। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া থানার পুলিশ। ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি প্রয়োজনে আহত বৃদ্ধের থেকে জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।