Damayanti Sen Missing: কেন চলে গিয়েছিল দময়ন্তী? খোঁজ মিলতেই কোন সত্যি সামনে এল?
Missing Shooter Damayanti Sen: তবে বারবারই রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দময়ন্ত্রী বাবা। যেভাবে পুলিশ তাঁদের সাহায্য করেছে সেই কাহিনীও বলেন। তাঁর কথায়, “সারারাত পুলিশ আমাকে ওর ট্রাকিং দিয়েছিল। শ্রীরামপুরে কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাচ্ছে, কোথায় টোটোতে বসেছে সব জানিয়েছে। তাতে আমি শিউর হয়েছিল মেয়ের বিপদ ঘটেনি ওকে পাওয়া যাবে।”

হাওড়া: দু’দিনের একরাশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। অবশেষে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে পরিবারের সদস্যরা। ঘরে ফিরেছে ঘরের মেয়ে। কিন্তু কোথায় চলে গিয়েছিল হাওড়ার প্রতিভাবান শ্যুটার দময়ন্তী সেন? কী বলছেন পরিবারের সদস্যরা? এদিন ভোরেই হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে খোঁজ মেলে তরুণীর। সেখান থেকেই তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ। ছুটে যায় পরিবারের সদস্যরা। আগে গিয়েছিলেন শ্রীরামপুরেও। যদিও সেখানকার পুরো লোকেশনই ট্র্যাক করেছিল পুলিশ। জানালেন বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন। কিন্তু কেন চলে গিয়েছিল মেয়ে?
বাবা বলছেন, “সামনে তো মাধ্যমিক পরীক্ষা। তার একটা চাপ রয়েছে। স্কুলে অ্যাটেনডেন্স কমে যাচ্ছে। গার্জেন কল হচ্ছিল। খেলাধূলো তো ভালো করে। ওটাই ও করতে চায়। এখন জেদ ধরেছে এটাই খেলবে। আমি অ্যাসোশিয়েশনকেও জানিয়েছি।” এখন কেমন আছে দময়ন্তী? ধ্যুবজ্যোতিবাবু বলছেন,” শ্রীরামপুর থেকে ও নিজেই ফিরেছে। নাহলে তো হাওড়ায় আসবে না। যখন বুঝতে পেরেছে মা-বাবাকে মিস করছি তখন নিজেই ফিরে এসেছে। ও বলল বাবা আমি সারারাত ঘুমাইনি। সারারাত হেঁটেছি। আমি খেলাধূলো করি। তাই আমাকে হাঁটতে হবে। ও অদ্ভুতভাবে এটাই বলল। এও বলল একটা মেয়ে খাবার দিয়েছে খেয়েছি। সবাই আমাকে হেল্প করেছে। কেউ আমার হাত ধরেনি।”
তবে বারবারই রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দময়ন্ত্রী বাবা। যেভাবে পুলিশ তাঁদের সাহায্য করেছে সেই কাহিনীও বলেন। তাঁর কথায়, “সারারাত পুলিশ আমাকে ওর ট্রাকিং দিয়েছিল। শ্রীরামপুরে কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাচ্ছে, কোথায় টোটোতে বসেছে সব জানিয়েছে। তাতে আমি শিউর হয়েছিল মেয়ের বিপদ ঘটেনি ওকে পাওয়া যাবে।”
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সেন্ট্রাল তৌসিফ আলি আজহার বলছেন, ওর পরিবারের সঙ্গে মা-বাবার সঙ্গে কিছু ইস্যু ছিল পড়াশোনা নিয়ে তাই ও বেরিয়ে গিয়েছিল। এখন ও ফিরে এসেছে তাতে আমরা খুবই খুশি। বিভিন্ন জায়গায় ও ছিল। সেগুলো আমরা ভেরিফাই করছি। এখন মা-বাবার সঙ্গে আছেন।
