
রাজগঞ্জ: ভোট যত এগিয়ে আসছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও রাজনৈতিক উত্তাপ ততই বাড়ছে। শুক্রবার জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি মেগা রোড-শো হওয়ার কথা ছিল। এসেও ছিলেন তিনি। কিন্তু ওই সভার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে রাজগঞ্জের অলিগলি থেকে দলীয় পতাকা ও ফেস্টুন খোলাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।
রাজগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দীনেশ সরকারের সমর্থনে এদিন বটতলা মোড় থেকে বেলাকোবা কলেজ মোড় পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর একটি বিশাল র্যালি ছিল। সেই উপলক্ষ্যে গোটা এলাকা বিজেপির পতাকা ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছিল। অভিযোগ, আচমকাই প্রশাসনের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা সেইসব পতাকা খুলতে শুরু করেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধির দোহাই দিয়ে বেছে বেছে শুধুমাত্র বিজেপির পতাকাই সরানো হচ্ছে। এই অভিযোগে তারা প্রশাসনের কর্মীদের ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সুর চড়িয়েছেন বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য নকুল দাস। তাঁর দাবি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এটা করা হচ্ছিল।
অন্যদিকে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নারায়ণ বসাক এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা। তারা নিয়ম মেনেই কাজ করছে। আচরণবিধি ভঙ্গ করলে কমিশন ব্যবস্থা নেবেই, এতে তৃণমূলের কোনও হাত নেই। বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে এখন কমিশনের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।” স্বভাবতই গোটা ঘটনায় এলাকার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।