Haldibari: দলের নির্দেশের পরও পদ পেলেন না পপি, কী ঘটল হঠাৎ! হলদিবাড়িতে ‘নাটক’ অব্যাহত
দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী, গত বছরের ১২ নভেম্বর হলদিবাড়ি পুরসভায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান রদবদলের জন্য নির্দেশ আসে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে বসার ছিল কথা সৌরভ রায় ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বসার কথা ছিল পপি রায় বর্মনের। কী হল তারপর?

হলদিবাড়ি: বিতর্ক শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না হলদিবাড়ি পুরসভায়। এতদিন চেয়ারম্যান পদ নিয়ে জটিলতা ছিল। এবার তা মিটতেই নতুন করে ‘ভাইস চেয়ারম্যান’ পদ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। হলদিবাড়ি পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান নিয়ে নাটকের যবনিকা পতন হয়েছে বৃহস্পতিবারই। ওই দিন হলদিবাড়ি পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সৌরভ রায়। যদিও ভাইস চেয়ারম্যান নিয়ে জটিলতা অব্যাহত।
২১ জুলাই-এর সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের যে সব পুরসভায় তৃণমূলের ফল খারাপ হয়েছে সেইসব পুরসভায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বদল করা হবে।
দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী, গত বছরের ১২ নভেম্বর হলদিবাড়ি পুরসভায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান রদবদলের জন্য নির্দেশ আসে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে বসার ছিল কথা সৌরভ রায় ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বসার কথা ছিল পপি রায় বর্মনের।
দলীয় নির্দেশ মেনে চেয়ারম্যান বদল হলেও বদল হল না ভাইস চেয়ারম্যান। যিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন, সেই অমিতাভ বিশ্বাসই আবার ব্লক সভাপতি। অর্থাৎ এক ব্যক্তির দুই পদ। তাহলে এটা কি দলীয় নির্দেশ অমান্য নয়? নতুন করে প্রশ্ন উঠছে তৃণমূলের অন্দরেই। এই বিষয়ে পপি রায় বর্মনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আর সুযোগ পেয়ে বিরোধীরা এই ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধতে শুরু করেছে। বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অমিতাভ বিশ্বাসকে আক্রমণ করছেন বিরোধীরা। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল খালেক আহমেদ মুখে কুলুপ এঁটেছেন। ক্যামেরার সামনে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
হলদিবাড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা দলের টাউন ব্লক সভাপতি অমিতাভ বিশ্বাস বলেন, “এই জাতীয় নির্দেশ আমার জানা নেই। বিরোধীরা নিজের চরকায় তেল দিক। আর যে সমস্ত তৃণমূলকর্মীরা এই নিয়ে বিতর্ক ছড়াচ্ছে, তারা জেলা সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করুক।”
