Jalpaiguri POCSO Case: কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে লাগাতার যৌন নির্যাতন! আসামিকে লম্বা সময়ের জন্য হাজতে পাঠাল আদালত
Jalpaiguri: বার বার যৌন নির্যাতনের জেরে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রথমে টের পেয়েছিলেন কিশোরীর মা। মেয়ের শরীরে কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তিনি। তখন মেয়েকে চেপে ধরায়, কিশোরী সবটা জানায় মাকে।

জলপাইগুড়ি: নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিল জলপাইগুড়ির পকসো আদালত। অনাদায়ে আরও ৩ মাসের হাজতবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের হাতে ২ লাখ টাকা তুলে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০১৫ সালের ঘটনা। সেই সময় নির্যাতিতার বয়স ছিল ১২ বছর। ওই কিশোরীকে সেই সময় ভয় দেখিয়ে লাগাতার যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল প্রতিবেশী এক বিবাহিত যুবকের বিরুদ্ধে।
বার বার যৌন নির্যাতনের জেরে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রথমে টের পেয়েছিলেন কিশোরীর মা। মেয়ের শরীরে কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তিনি। তখন মেয়েকে চেপে ধরায়, কিশোরী সবটা জানায় মাকে। এরপরই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসকের কাছে। ডাক্তারবাবুও তার শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল টেস্ট করানোর পর নিশ্চিত হন ওই কিশোরী গর্ভবতী। এরপর পরিবারের তরফে জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় ওই প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ওই যুবককে। তারপর দীর্ঘ ৯ বছর ধরে চলে মামলা। শেষে জলপাইগুড়ি পকসো আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে। বুধবার আদালত ওই আসামির সাজা ঘোষণা করেছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, পুলিশ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। মোট ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর আদালত আসামিকে দশ বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের কাছেও ২ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
