5Rs Canteen: প্রতি মাসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঢুকত অ্যাকাউন্টে! ৫ টাকার ক্যান্টিন থেকে কীভাবে লাখপতি হন রূপা?
Maa Canteen Corruption Allegation: তারকেশ্বর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মা ক্যান্টিনের খাবার বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে। অভিযোগ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীটি খাতায়-কলমে থাকলেও তা সম্পূর্ণ পরিচালনা করতেন কাউন্সিলর রূপা সরকার নিজেই। প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ জনের খাবার রান্না করা হলেও নথিপত্রে দেড়শো জনের নামে ভুয়ো টোকেন তৈরি করা হত।

হুগলি: গরিব-দুঃস্থ মানুষদের জন্য চালু করা রাজ্যের তৎকালীন ৫ টাকার ‘মা ক্যান্টিন’-এও দুর্নীতির মারাত্মক অভিযোগ উঠল তারকেশ্বর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর রূপা সরকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ঢাল করে বছরের পর বছর ভুয়ো বিল বানিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।
কীভাবে চলত এই দুর্নীতি?
তারকেশ্বর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মা ক্যান্টিনের খাবার বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে। অভিযোগ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীটি খাতায়-কলমে থাকলেও তা সম্পূর্ণ পরিচালনা করতেন কাউন্সিলর রূপা সরকার নিজেই। প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ জনের খাবার রান্না করা হলেও নথিপত্রে দেড়শো জনের নামে ভুয়ো টোকেন তৈরি করা হত। পৌরসভার তরফ থেকে বরাদ্দকৃত বিলের টাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টে ঢুকলেই, তা তুলে তুলে দিতে হতো রূপা সরকারের হাতে। অভিযোগ, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতি মাসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা এভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
পুরো ঘটনা জানিয়ে তারকেশ্বর পৌরসভা ও একাধিক প্রশাসনিক দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। কিছুদিন আগেই জমি দখলের অভিযোগে মামলা হতেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেন রূপা সরকার, বর্তমানে তিনি পলাতক। অন্যদিকে পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পর, মা ক্যান্টিনের নোডাল অফিসার জানিয়েছেন যে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
