
জলপাইগুড়ি: ‘টাকার কাছে আমি হেরে গেলাম…’, স্বপ্না বর্মন তৃণমূলের প্রার্থী হতেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়। এবার সেই খগেশ্বরকে বিঁধলেন তৃণমূল এসসি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। বললেন, “নিজের বুথে জিততে পারে না, তার লেকচার বসে-বসে শুনব? স্বপ্না বর্মন আরও বেশি ভোটে জিতবেন।”
কৃষ্ণ বলেন, “মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে ভোট দেয়। খগেশ্বরকে দেখে নয়। চারবারের বিধায়ক। কিন্তু নিজের বুথে জিততে পারে না। আবার বড় বড় লেকচার দিচ্ছে। আর ওর লেকচার আমরা বসে বসে শুনবো? এবার আরও বেশি ভোটে স্বপ্না জিতবে।”
এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল নেতা এও বলেন, “গতকাল যাঁরা ওর সাথে পদত্যাগ করেছিল। আজ সবাই আবার আমাকে ফোন করে বলল, আমরা সবাই তোমার সঙ্গে আছি। পদত্যাগ বলতে বলেছিল তাই বলেছি। কিন্তু আমরা তৃণমূল করি। তৃণমূলেই আছি। সবাই সামনে পদত্যাগ। পেছনে বাঁশ।” এখানে উল্লেখ্য, প্রার্থী হতে না পেরে তৃণমূল জেলা কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন খগেশ্বর। তাঁর অনুগামীরাও সেই সময় বেরিয়ে আসেন। তবে এ দিন, খগেশ্বর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
বস্তুত, স্বপ্না প্রার্থী হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খগেশ্বর রায় বলেছিলেন, তিনি টাকার কাছে হেরে গেলেন। জেলার প্রার্থী তালিকা প্রসঙ্গে বলেন, “দলকে যে টাকা দেয়, সেই প্রার্থী হয়। রাজগঞ্জের প্রার্থী স্বপ্না বর্মণ এই আসনে হারবেন বলেও ক্ষোভের সুরে জানিয়ে দেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, “দিদি নাম ঘোষণার সময় থেমে গিয়েছিলেন। বারবার দেখছিলেন। দিদি আমাকেই চান।”