Jalpaiguri: পরস্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন, টানাপোড়েনে চরম পদক্ষেপ যুবক-যুবতীর

Couple commit suicide: মৃত প্রভাতের দাদা প্রমোদ অধিকারী বলেন, "ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিবাহিত ওই মহিলাকে নিয়ে এর আগে একবার বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু মেয়ের বাড়ির লোকেরা তাকে নিয়ে যায়। কিছুদিন আগে ফের আমার ভাই ওই মহিলাকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। গতকাল ফোন করে বলে বাড়িতে আসবে। আমি আসতেও বলি। কিন্তু ওরা আর না এসে এই কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল।"

Jalpaiguri: পরস্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন, টানাপোড়েনে চরম পদক্ষেপ যুবক-যুবতীর
একই গাছে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় যুগলেরImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 05, 2026 | 11:20 PM

জলপাইগুড়ি: পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবারের টানাপোড়েন। ছেলের বাড়ি মেনে নিলেও পরকীয়া সম্পর্ক মেনে নেয়নি মেয়ের পরিবার। পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে পরিবারের টানাপোড়েনে একসঙ্গে গলায় দড়ি দিলেন প্রেমিক-প্রেমিকা। ঘটনাটি জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির। মৃতদের নাম প্রভাত অধিকারী(২৭) এবং প্রতিমা রায়(২৫)। সোমবার ময়নাগুড়ি টেকাটুলি অঞ্চলের দ্বারিকামারি গ্রামের একটি চা বাগানের শেড ট্রিতে তাঁদের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, প্রতিমা বিবাহিত। কিন্তু কয়েক মাস আগে থেকে প্রভাতের সঙ্গে প্রতিমার একটি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে প্রতিমাকে বিয়ে করেন প্রভাত। এবং তাঁদের বাড়িতেও নিয়ে আসেন। প্রভাতের বাড়ির লোক মেনে নেন। কিন্তু মানেননি প্রতিমার পরিবারের লোকজন। পরে তাঁরা জোর করে প্রতিমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান।

এই অবস্থায় আবার একমাস পর প্রতিমাকে নিয়ে প্রভাত বাইরে চলে যান। প্রায় একমাস বাইরে থাকার পর প্রভাত গতকাল তাঁর পরিবারকে জানান, প্রতিমাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন। বাড়ির লোকও রাজি হয়ে যান। গতকাল প্রভাতের বাড়িতে তাঁর ভাগ্নির বিয়ের দেখাশোনা চলছিল। সবাই তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। রাতে প্রভাতের মা ছেলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। না আসায় ঘুমিয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন।

সোমবার সকালে বাড়ির পাশে একটি চা বাগানে প্রভাত এবং প্রতিমার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় এলাকার মানুষজন। পরে বাড়ির লোককে খবর দিলে পরিবারের লোকজন গিয়ে তাঁদের দু’জনকে শনাক্ত করেন। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

মৃত প্রভাতের দাদা প্রমোদ অধিকারী বলেন, “ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিবাহিত ওই মহিলাকে নিয়ে এর আগে একবার বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু মেয়ের বাড়ির লোকেরা তাকে নিয়ে যায়। কিছুদিন আগে ফের আমার ভাই ওই মহিলাকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। গতকাল ফোন করে বলে বাড়িতে আসবে। আমি আসতেও বলি। কিন্তু ওরা আর না এসে এই কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল।” মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।