জলপাইগুড়ি: পর-পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্ত্রীর। সেই সন্দেহের বসে স্ত্রী-কে খুনের অভিযোগ। অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত করল জলপাইগুড়ি আদালত। তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল জলপাইগুড়ি আদালতের সেকেন্ড কোর্ট।
সালটা ছিল ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর। স্ত্রী-কে দা দিয়ে খুন করে কোতোয়ালি থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে ছিলেন জলপাইগুড়ি শহরের পান্ডাপাড়া পার্কের মোড় এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তের নাম সন্তোষ দাস। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় সতেরো জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
এরপর শনিবার সন্তোষের সাজা ঘোষণা করে আদালত। দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন বিচারক। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরও পাঁচমাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আদালতের সহকারী সরকারি আইনজীবী শুভঙ্কর চন্দ। তিনি বলেন, “জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত পার্কের মোড়ে থাকে। হঠাৎ করে তিনি থানায় এসে জানিয়েছিলেন, স্ত্রীকে খুন করেছেন। এই কথা শোনার পরই পুলিশ সেখানে যায়। মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় দা। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। সতেরো জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। সেই ঘটনার রায় দিল আদালত।”