AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Dhupguri: ৩০ কেজি গোবরের সঙ্গে ৪০ লিটার জল মিশিয়েই হচ্ছে রান্না, নেই LPG, অবাক করা কাণ্ড মেটেলিতে

তিনবেলার রান্না করতে কোনও খরচই হচ্ছে না। অবাক করা কান্ড ঘটিয়ে নজির গড়েছেন মেটেলির চা শ্রমিক কৃপা হাঁসদা। একে গ্যাসের বর্ধিত দাম, তার উপর দুর্গম এলাকা থেকে সিলিন্ডার বহনের অতিরিক্ত খরচ। এই দুই সমস্যারই কার্যকর সমাধান খুঁজে পেয়েছেন মেটেলি ব্লকের আইবিল চা বাগানের মাথুরা লাইনের বাসিন্দা তথা চা শ্রমিক কৃপা হাঁসদা।

Dhupguri: ৩০ কেজি গোবরের সঙ্গে ৪০ লিটার জল মিশিয়েই হচ্ছে রান্না, নেই LPG, অবাক করা কাণ্ড মেটেলিতে
অভিনব উপায়ে চলছে রান্নাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 04, 2026 | 2:01 PM
Share

ধূপগুড়ি: যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গত কয়েকমাসে গ্যাসের দাম অনেকটাই বেড়েছে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কিছুটা কমলেও, আগে বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে যখন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি আশঙ্কায় ভুগছে, তখন এক অভিনব পন্থা নিল মেটেলি চা বাগানের চা শ্রমিকরা। গোবর থেকে গ্যাস তৈরি করে, তাতেই হচ্ছে রান্না।

তিনবেলার রান্না করতে কোনও খরচই হচ্ছে না। অবাক করা কান্ড ঘটিয়ে নজির গড়েছেন মেটেলির চা শ্রমিক কৃপা হাঁসদা। একে গ্যাসের বর্ধিত দাম, তার উপর দুর্গম এলাকা থেকে সিলিন্ডার বহনের অতিরিক্ত খরচ। এই দুই সমস্যারই কার্যকর সমাধান খুঁজে পেয়েছেন মেটেলি ব্লকের আইবিল চা বাগানের মাথুরা লাইনের বাসিন্দা তথা চা শ্রমিক কৃপা হাঁসদা। গোবর থেকে উৎপাদিত মিথেন গ্যাস ব্যবহার করে এখন তাঁর বাড়িতে সম্পূর্ণ বিনা খরচে তিনবেলার রান্না হচ্ছে।

মেটেলি ব্লকের প্রত্যন্ত আইবিল চা বাগানের মাথুরা লাইনের বাসিন্দাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে শুরু করে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার আনতেও যেতে হয় চালসা বাজারে। ফলে সিলিন্ডারের মূল দামের পাশাপাশি পরিবহণ বাবদ অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়। সেই সমস্যারই পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী সমাধান এনে দিয়েছে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট।

কৃপা হাঁসদা জানান, ২০২৫ সালে প্রসারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে মাথুরা লাইনে মোট চারটি বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ করা হয়। সেই প্ল্যান্ট থেকেই এখন প্রতিদিন তাঁর পরিবারের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় মিথেন গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।

প্রতিদিন সকালে প্রায় ৩০ কেজি গোবরের সঙ্গে ৪০ লিটার জল মিশিয়ে বায়োগ্যাস প্লান্টে দেওয়া হয়। প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সেখান থেকে উৎপন্ন হয় মিথেন গ্যাস, যা পাইপলাইনের মাধ্যমে রান্নার চুলায় পৌঁছে যায়। এই গ্যাসেই প্রতিদিন রান্না সম্পন্ন হয়। ফলে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরিবারের মাসিক জ্বালানির খরচও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই উদ্যোগ চা বাগান এলাকার অন্যান্য পরিবারের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে এই ধরনের বায়োগ্যাস প্রকল্প আরও বিস্তৃত হলে প্রত্যন্ত এলাকার বহু পরিবার কম খরচে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির সুবিধা পেতে পারে।

Follow Us