
জলপাইগুড়ি: তিলোত্তমা ইস্যুতে বিতর্কিত পদক্ষেপ। তৃণমূল পরিচালিত জলপাইগুড়ি পৌরসভার ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন। আগে তিলোত্তমা চত্বর নামাঙ্কিত সাইনবোর্ড খুলে দেওয়া হয়েছিল। আর এবার স্মৃতিসৌধ তৈরতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল জলপাইগুড়ি নাগরিক সমাজ।
সোমবার তিলোত্তমার ৩৩ তম জন্মদিন। সেই উপলক্ষে জলপাইগুড়ি থানা মোড়ে একটি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করতে চেয়ে বেশ কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ি পৌরসভার অনুমতি প্রার্থনা করে চিঠি দেওয়া হয়। এতদিন কোনও উত্তর দেয়নি পৌরসভা।
স্মৃতি সৌধর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে বলে উদ্যোগ নেন জলপাইগুড়ি অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিস ডক্টর্স পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ সম্পাদক ডক্টর উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আজ সকালেই চিঠি দেয় পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। জানিয়ে দেন ওই নির্মাণ যদি করা হয় তবে তা বেআইনি হবে।
আর এতেই ক্ষুব্ধ সংসদের সদস্যরা। থানা মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
উৎপল বলেন, “চিঠি আগেও দিয়েছি। এ যাবত পর্যন্ত যে কটি চিঠি দিয়েছি তার জবাব নেই। পুরসভার চেয়ারম্যান চিঠি দিয়ে জানালেন যে ওইখানে কোনও মূর্তি হবে না।” চেয়ারম্যান জলপাইগুড়ি পৌরসভা সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কোনও নাগরিকদের নামে কিছু হচ্ছে না। সিপিএম-এর থেকে হচ্ছে। তিলোত্তমার ঘটনা নিন্দনীয়। কিন্তু বিচার হয়েছে। তখনও মমতার নামে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। আর এখন তিলোত্তমার মা বাবা বিজেপিতে চলে গেছেন। ওদের মিছিলে ঘোরাঘুরি করেন।”