AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Man allegedly killed in Dhupguri: গলা কাটা, রেললাইনের ধারে পড়ে ব্যক্তির মৃতদেহ, কী বলছে পরিবার?

Dead body found near railway track: গৌরী রায় অধিকারী নামে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, "ট্রেনে কাটা পড়লে তো দেহ দু'টুকরো হয়ে যেত। মনে হচ্ছে, এটা পরিকল্পিত খুন।" মৃতের ভাইপো তাপস রায় বলেন, "এই মৃত্যু কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। আমার কাকাকে খুন করা হয়েছে। কাকাকে কোনওদিন এদিকে আসতে দেখিনি। কাকা গতকাল রাতে বাড়ি ফেরেননি। আমরা ভেবেছিলাম, কারও বাড়িতে থেকে গিয়েছেন।" 

Man allegedly killed in Dhupguri: গলা কাটা, রেললাইনের ধারে পড়ে ব্যক্তির মৃতদেহ, কী বলছে পরিবার?
রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার ব্যক্তির গলাকাটা দেহ Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 28, 2026 | 3:37 PM
Share

ধূপগুড়ি: রেললাইনের ধার থেকে ব্যক্তির গলাকাটা দেহ উদ্ধার। মৃতের নাম রমণী রায়। ঘটনাটি জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির (Dhupguri)। ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কাটা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি পরিকল্পিত খুন নাকি অন্য কোনও কারণ, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। 

মঙ্গলবার সকালে ধূপগুড়ি পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্মণপাড়া এলাকায় রেললাইনের ধারে রমণী রায়ের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দেহটি পড়ে থাকতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ও রেল পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও রেল পুলিশ (আরপিএফ)। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

বছর পঁয়ষট্টির রমণী রায়ের বাড়ি বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানপাড়া এলাকা। বাড়িতে স্ত্রী, দুই পুত্র ও দুই পুত্রবধূ রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন এলাকায় কীর্তন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় ফোরলেন রোডের জন্য সরকার যে জমি অধিগ্রহণ করে, তার জন্য রমণী রায়ও বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছেন। এই ঘটনার পিছনে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

কী বলছে মৃতের পরিবার?

গৌরী রায় অধিকারী নামে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, “ট্রেনে কাটা পড়লে তো দেহ দু’টুকরো হয়ে যেত। মনে হচ্ছে, এটা পরিকল্পিত খুন।” মৃতের ভাইপো তাপস রায় বলেন, “এই মৃত্যু কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। আমার কাকাকে খুন করা হয়েছে। কাকাকে কোনওদিন এদিকে আসতে দেখিনি। কাকা গতকাল রাতে বাড়ি ফেরেননি। আমরা ভেবেছিলাম, কারও বাড়িতে থেকে গিয়েছেন।” মৃতের ছেলে চিরঞ্জিত রায় বলেন, “বাবার মৃতদেহ দেখে মনে হচ্ছে না রেলে কাটা পড়েছে। শুধু গলায় কাটার দাগ।” পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

Follow Us