Jalpaiguri: ১০০ দিনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
আর সঙ্গে-সঙ্গে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। এখন প্রশ্ন উঠছে রাজ্যে এইরকম আরও নেতা কী এইজাতীয় দুর্নীতি করেছে। সেগুলিরও কী তদন্ত শুরু হবে? যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা ধর্মদেব বর্মন। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।"

জলপাইগুড়ি: একজনের জব কার্ডে অন্য জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বছরের পর বছর টাকা আত্মসাত তৃণমূল নেতার। রাজ্যে তৃণমূল সরকার থাকায় ভয়ের চোটে তা বলতে পারেনি প্রতারিত ব্যক্তি। এবার পালাবদল হতেই কার্যত ‘ভয় আউট ভরসা ইন’। ঘটনায় থানার অভিযোগ দায়ের।
রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভার পাশাপাশি এবার মেখলিগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকেও একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। সেই তালিকায় এবার নতুন সংযোজন ১০০ দিনের টাকা আত্মসাৎ। এদিন, হলদিবাড়ি ব্লকের দেওয়ানগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের হুদুমডাঙা গ্রামের বাসিন্দা শম্ভু বর্মনের অভিযোগ, তাঁর মায়ের নামে ১০০ দিনের কাজের যেই জব কার্ড ছিল তাতে অন্য জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জুড়ে দিয়েছিল তৃনমূল নেতা তথা গ্রামের ১০০ দিনের কাজের সুপার ভাইজার ধর্মদেব বর্মন। বেশ কয়েক বছর টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।
শম্ভু জানান, এতদিন ভয়ের চোটে কিছু বলেননি। এবার পালাবদল হতেই হলদিবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। আর সঙ্গে-সঙ্গে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। এখন প্রশ্ন উঠছে রাজ্যে এইরকম আরও নেতা কী এইজাতীয় দুর্নীতি করেছে। সেগুলিরও কী তদন্ত শুরু হবে? যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা ধর্মদেব বর্মন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।”
