Rajgunj: পরপর অ্যাক্সিডেন্ট! লাল বসনে হঠাৎ যজ্ঞ করতে বসলেন তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর

তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের দাবি গত দু'বছরে কেবলমাত্র তার বিধানসভা এলাকায় ৫০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। তাই সকলের মঙ্গল কামনা ও দুর্ঘটনায় মৃতদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে বিশেষ মহাযজ্ঞের আয়োজন করলেন রাজগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়।

Rajgunj: পরপর অ্যাক্সিডেন্ট! লাল বসনে হঠাৎ যজ্ঞ করতে বসলেন তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর
যজ্ঞে বসেছেন তৃণমূল বিধায়কImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 13, 2026 | 3:16 PM

রাজগঞ্জ: পথ দুর্ঘটনা ঠেকাতে মহাযজ্ঞের আয়োজন! সমালোচনার মুখে রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়। আমজনতার দাবি, যাগযজ্ঞ করে কিছুই হবে না, বেড়ে চলা জনসংখ্যা ও যানবাহনের সঠিক ‘ম্যানেজমেন্ট’ করতে প্রয়োজন আরও পুলিশকর্মী। যুক্তিবাদী সংগঠন বলছে, আরও অনেক বেশি সচেতনতা প্রয়োজন। প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে।

জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় গত কয়েকবছরে একের পর এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। সাম্প্রতিক সময়ে দুই তৃণমূল নেতারও মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। সহ একাধিক সাধারণ মানুষের অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজগঞ্জ।

তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের দাবি গত দু’বছরে কেবলমাত্র তার বিধানসভা এলাকায় ৫০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। তাই সকলের মঙ্গল কামনা ও দুর্ঘটনায় মৃতদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে বিশেষ মহাযজ্ঞের আয়োজন করলেন রাজগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়।

বিধায়কের উদ্যোগে রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতিলাভাষা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবারই অনুষ্ঠিত হয় এই মহাযজ্ঞ। মূল লক্ষ্য ছিল একটাই, জেলার সমস্ত মানুষ যেন ভাল থাকেন। ভবিষ্যতে আর কোনও দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এই যজ্ঞ বলে দাবি করা হয়।

এই মহাযজ্ঞে বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রূপালি দে সরকার, জেলা পরিষদের সদস্য রণবীর মজুমদার, উত্তরা বর্মন, অর্চনা রায়, শেখ ওমর ফারুকসহ অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। তৃণমূল বিধায়কের এই মহাযজ্ঞ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

পথ দুর্ঘটনা ঠেকাতে মহাযজ্ঞের আয়োজন! সমালোচনার মুখে রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়। আমজনতার দাবি, যাগযজ্ঞ করে কিছুই হবে না, বেড়ে চলা জনসংখ্যা ও যানবাহনের সঠিক ‘ম্যানেজমেন্ট’ করতে প্রয়োজন আরও পুলিশকর্মী। যুক্তিবাদী সংগঠন বলছে, আরও অনেক বেশি সচেতনতা প্রয়োজন। প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে।

জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় গত কয়েকবছরে একের পর এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। সাম্প্রতিক সময়ে দুই তৃণমূল নেতারও মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। সহ একাধিক সাধারণ মানুষের অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজগঞ্জ।

তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের দাবি গত দু বছরে কেবলমাত্র তার বিধানসভা এলাকায় ৫০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। তাই সকলের মঙ্গল কামনা ও দুর্ঘটনায় মৃতদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে বিশেষ মহাযজ্ঞের আয়োজন করলেন রাজগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়।

বিধায়কের উদ্যোগে রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতিলাভাষা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবারই অনুষ্ঠিত হয় এই মহাযজ্ঞ। মূল লক্ষ্য ছিল একটাই, জেলার সমস্ত মানুষ যেন ভাল থাকেন। ভবিষ্যতে আর কোনও দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এই যজ্ঞ বলে দাবি করা হয়। বিধায়ক বলেন, “অল্প বয়সে অনেকেই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। তিন বছরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই প্ল্যান করেছিলাম আগেই। সবাইকে নিয়ে বিরাট যজ্ঞ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভাবলাম, যজ্ঞ করে একটু শান্তি পাওয়া যাবে।”

এই মহাযজ্ঞে বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রূপালি দে সরকার, জেলা পরিষদের সদস্য রণবীর মজুমদার, উত্তরা বর্মন, অর্চনা রায়, শেখ ওমর ফারুকসহ অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। তৃণমূল বিধায়কের এই মহাযজ্ঞ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

সিপিএমের দাবি, এসব না করে আরও পুলিশকর্মী নিয়োগ করা ও ট্রাফিক পরিকাঠামোর উন্নতিতে জোর দেওয়া উচিৎ। আর বিজেপির মন্তব্য, ভোটের মুখে ঠেলায় পড়ে তৃণমূল বিধায়কের রামনাম জপ।