Jalpaiguri: দুয়ারে রেশন নিলেই বিনামূল্যে উন্নয়নের পাঁচালি, তরজায় তৃণমূল-বিজেপি

Unnayaner Panchali: উন্নয়নের পাঁচালি হাতে নিয়ে  মেনকা রায়, ঝুকনি হাজরা, মসলিমা খাতুনরা বলেন, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বইটা পড়বেন। তাঁদের বক্তব্য, পুস্তিকা হাতে পেয়ে সুবিধা হল। জানতে পারবেন সরকার তাঁদের জন্য কী কী সুবিধা প্রদান করছে। এবং তাঁরাও কীভাবে এইসব সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, তাও জানতে পারবেন।

Jalpaiguri: দুয়ারে রেশন নিলেই বিনামূল্যে উন্নয়নের পাঁচালি, তরজায় তৃণমূল-বিজেপি
গ্রাহকদের উন্নয়নের পাঁচালি পুস্তিকা দিচ্ছেন রেশন ডিলাররা Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 11, 2026 | 1:43 PM

জলপাইগুড়ি: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর একশো দিনও বাকি নেই। নির্বাচনের আগে তৃণমূল সরকারের গত সাড়ে ১৪ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান প্রকাশ করেছে সরকার। নাম দিয়েছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। আর সেই উন্নয়নে পাঁচালি পুস্তিকা এবার রেশন ডিলাররা বিনামূল্যে বিতরণ করছেন উপভোক্তাদের মধ্যে। দুয়ারে রেশন নিলে গ্রাহকরা পাচ্ছেন উন্নয়নের পাঁচালি পুস্তিকা। এই ছবি ধরা পড়ল জলপাইগুড়িতে। উন্নয়নের পাঁচালি পুস্তিকা বিলি নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

কয়েকমাস আগে রেশন ডিলারদের দিয়ে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিলির ছবি সামনে এসেছিল। তা নিয়ে শোরগোল পড়েছিল রাজ্যে। এবার রেশন ডিলাররা বিলি করছেন উন্নয়নের পাঁচালি। জানা গিয়েছে, বাধ্যতামূলকভাবে এই পাঁচালি বিলি করতে হবে রেশন ডিলারদের। রেশন নিতে আসা প্রতিটি উপভোক্তার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এই উন্নয়নের পাঁচালি পুস্তিকা।

জলপাইগুড়ির গরালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে দুয়ারে রেশন বিলি শিবিরে উন্নয়নের পাঁচালি পুস্তিকা বিলির ছবি ধরা পড়ল। রেশন নিতে আসা উপভোক্তারা ঝকঝকে নতুন এই পুস্তিকা নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়ালেন। উন্নয়নের পাঁচালি হাতে নিয়ে  মেনকা রায়, ঝুকনি হাজরা, মসলিমা খাতুনরা বলেন, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বইটা পড়বেন। তাঁদের বক্তব্য, পুস্তিকা হাতে পেয়ে সুবিধা হল। জানতে পারবেন সরকার তাঁদের জন্য কী কী সুবিধা প্রদান করছে। এবং তাঁরাও কীভাবে এইসব সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, তাও জানতে পারবেন।

রেশন দেওয়ার পাশাপাশি এই কাজ করতে ‘বাধ্য’ হচ্ছেন রেশন ডিলাররা। তবে প্রকাশ্যে তাঁরা বলছেন, উন্নয়নের পুস্তিকা বিলি করতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। বিশ্বজিৎ রায় নামে রেশন ডিলারের এক কর্মী বলেন, “আমাদের এই পুস্তিকা উপভোক্তাদের দিতে বলা হয়েছে। আমরা দিচ্ছি।”

এই নিয়ে শাসকদলকে খোঁচা দিল গেরুয়া শিবির। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সৌজিত সিংহ বলেন, “এরা সরকার ও রাজনৈতিক দলকে মিলিয়ে ফেলেছে অনেক আগেই। আমরা আগেই দেখেছি, আমার-আপনার করে টাকায় সরকারি মঞ্চে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এসব করে কিছু হবে না। ছাব্বিশে তৃণমূলের সরকার থাকবে না।”

তবে বিরোধীদের অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসকদল। বিরোধীদের আক্রমণের জবাব দিয়ে তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটা তো তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের উন্নয়নের কাজ। সেখানে সরকারের গণবণ্টন মাধ্যমে মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নের কাজের খতিয়ান পৌঁছে যাওয়ায় দোষের কিছু নেই। বিরোধীরা তো দোষ খুঁজবেই।”