
জলপাইগুড়ি: BJP টু BJP ভায়া তৃণমূল। মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যাবধানে একদল যুবক দুই দলেই যোগদান করলো। সকালে তৃণমূলে যোগদান, আবার রাতেই বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন। এই নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে মেখলিগঞ্জ বিধানসভার হলদিবাড়িতে। জানা গিয়েছে শনিবার সকালের মেখলিগঞ্জ বিধানসভার দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের ১৫১ নং বুথ থেকে একদল যুবক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করে। যুবকদের হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী পরেশ অধিকারী।
কিন্তু কয়েক ঘণ্টা গড়াতেই পাল্টে যায় চিত্র। সন্ধ্যার মধ্যেই সেই কর্মীরা ফের তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ফিরে আসেন। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি শংকর বর্মনের নেতৃত্বে তাদের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া হলদিবাড়ি পৌরসভার কাউন্সিলর পূরবী রায় প্রধান-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
বিজেপির অভিযোগ, ক্লাব উন্নয়নের নামে প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পরেশ অধিকারীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁদের ভয় দেখিয়ে করে তৃণমূলের পতাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি শঙ্কর মণ্ডল।
অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পাল্টা ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন তাঁরাও। তৃণমূলের দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ি অঞ্চল সভাপতি লোকনাথ রায় বলছেন, যারা নিজের ইচ্ছায় তৃণমূলে যোগদান করেছিল তাদের মধ্যে মাত্র দু’জন কে ভয় দেখিয়ে বিজেপি তাদের দলে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। যদিও এ ঘটনায় চাপানউতোর চলছেই। হাসাহাসি চলছে রাজনৈতিক আঙিনাতেও।