Boycott the vote: ‘আগে উন্নয়ন কর, তারপর…’, প্রার্থী আসার আগেই ভোট বয়কটের ডাক
West bengal: একজন বলেন, "মাত্র গোটা কয়েক বাড়ি রয়েছে। মনে হয় যেন জমের দক্ষিণ দুয়ারে বাস করছি। ভোটের সময় সবাই আসে কিন্ত ভোট মিটলেই আর কেউ ভাবে না। আমাদের কথা। এত দিনেও কেন হবে না রাস্তা? আমাদের দাবি পূরণ না হলে এবার ভোট দান থেকে বিরত থাকব। না হয় অন্য কিছু ভাবতে হবে।"

তন্ময় নন্দীর রিপোর্ট
ঝাড়গ্রাম: ভোট এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা। আর ভোটের আগে দেখা মেলে না নেতাদের। বাধ্য হয়ে বিনপুরের ভেলাইডিহা অঞ্চলের ভেলাইডিহা সংসদের বারগড়া গ্রামের বাসিন্দারা দাবি জানাচ্ছেন, ‘আগে উন্নয়ন কর, গ্রামের রাস্তা বানিয়ে দাও পরে এস ভোট চাইতে। নইলে গ্রামে ঢুকতে দেব না।’ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামে প্রবেশের একটি মাত্র পথ তাও বেহাল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাস্তা সারাই করা হয়নি। তৃণমূলের আমলে ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও গ্রামে পড়েনি এক ঝুড়ি মোরাম। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেঁকে বসেছেন গ্রামবাসী। তাঁদের দাবি, গ্রামে ঢোকার রাস্তা একেবারে খানা খন্দে ভরা, কেউ অসুস্থ হলে তাদের কাঁধে ঢুলিতে করে ৩ কিলোমিটার নিয়ে যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে তোলা সম্ভব হয়। তাই আগে দাবি মিটুক না ভোটের ব্যাপারে ভাববেন।
বেলপাহাড়িতে দিকে দিকেবাড়ছে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ। তাঁদের অভিযোগ, পানীয় জল নেই। রাস্তার অবস্থা বেহাল। শনিবার গ্রামে রাস্তার দাবিতে সরব হন ভেলাইডিহা অঞ্চলের বারগড়া গ্রামের বাসিন্দারাও। তাঁদের দাবি, গ্রামে ঢোকার ৩ থেকে ৪ কিমি রাস্তা বেহাল। তা বিভিন্ন মহলে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। মেলেনি কোনও সমাধানের পথ। তাই বাধ্য হয়েই এদিন বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন গ্রামবাসী।
একজন বলেন, “মাত্র গোটা কয়েক বাড়ি রয়েছে। মনে হয় যেন জমের দক্ষিণ দুয়ারে বাস করছি। ভোটের সময় সবাই আসে কিন্ত ভোট মিটলেই আর কেউ ভাবে না। আমাদের কথা। এত দিনেও কেন হবে না রাস্তা? আমাদের দাবি পূরণ না হলে এবার ভোট দান থেকে বিরত থাকব। না হয় অন্য কিছু ভাবতে হবে।”
এই নিয়ে শাসকদলকে এক হাত নিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডু। তিনি বলেন, “এখানকার রাস্তা-ঘাট, পানীয় জল সহ নানান সমস্যা রয়েছে। আর বলা হয় জঙ্গলমহল হাসছে এটা কি তার উদাহরণ?” প্রাক্তন প্রধান ও বর্তমান পঞ্চায়েতের সদস্য শিবানী আহিল এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
