Malda: কোন জাদুবলে বদলে গেল অ্যাকাউন্ট নম্বর, সরকারি প্রকল্পের টাকায় এতবড় কেলেঙ্কারি!

মালদহ জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের যদুপুর এক নম্বর ব্লকের ঘটনা। জানা গিয়েছে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা এম ডি তৌসিফ। তাঁর অভিযোগ, তাঁর মা রুকসানা বিবির নামে এই প্রকল্পের ঘর ধার্য করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আইডি নম্বর বা তাঁর মায়ের নাম- সবকিছু একই থাকলেও বদলে ফেলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বর।

Malda: কোন জাদুবলে বদলে গেল অ্যাকাউন্ট নম্বর, সরকারি প্রকল্পের টাকায় এতবড় কেলেঙ্কারি!
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 13, 2026 | 12:56 PM

মালদহ: সেই ট্যাব কেলেঙ্কারির মতোই ঘটনা! অ্যাকাউন্ট নম্বর, আধার নম্বর বদলে প্রতারণার অভিযোগ সামনে এল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল মুখ্যমন্ত্রীর ‘বাংলার বাড়ি’ আবাসন প্রকল্প। নয়া এই জালিয়াতির চক্র সামনে এল মালদহে। প্রকল্পের উপভোক্তাদের নাম রয়েছে কিন্তু বদলে ফেলা হয়েছে অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আধার নম্বর। প্রশাসনের দ্বারস্থ উপভোক্তারা।

এই দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু মালদহে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। অন্যদিকে, তৃণমূলের সব প্রতিনিধিরা চোর বলে পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির।

মালদহ জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের যদুপুর এক নম্বর ব্লকের ঘটনা। জানা গিয়েছে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা এম ডি তৌসিফ। তাঁর অভিযোগ, তাঁর মা রুকসানা বিবির নামে এই প্রকল্পের ঘর ধার্য করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আইডি নম্বর বা তাঁর মায়ের নাম- সবকিছু একই থাকলেও বদলে ফেলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বর। অন্যান্য উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের টাকা ঢুকেছে শুনে যখন তাঁরা ব্যাঙ্কে যান, জানতে পারেন তাঁদের অ্যাকাউন্ট নম্বরটাই বদলে ফেলা হয়েছে। অন্য অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ঢুকেছে। এরপরই বিষয়টি তারা লিখিত আকারে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত দফতর, মালদহ জেলা প্রশাসন এবং ব্লক প্রশাসনকে জানান।

এম ডি তৌসিফ আরও জানান, এরই মধ্যে গত জানুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের একটি ঘরের অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। তিনি নিজে ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন, তাঁর বাবা আলিম শেখও শ্রমিকের কাজ করেন। বাড়িতে তাঁর তিন বোন রয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে তাঁর আর্জি যেন অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখে দেখা হয়।

অন্যদিকে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নমিতা চৌধুরীর স্বামী দয়ালকৃষ্ণ চৌধুরী জানান, বিষয়টি জানতে পারার পর বিডিও-কে জানানো হয়। পরে বিডিও যে অ্যাকাউন্টে টাকাটি ঢুকেছে সেই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিয়েছেন, সেই সঙ্গে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।